20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিসির কী স্টারমার ট্রাম্পের গাজা শান্তি বোর্ডে যোগদানের সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন

সির কী স্টারমার ট্রাম্পের গাজা শান্তি বোর্ডে যোগদানের সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কী স্টারমার গাজা অঞ্চলের শান্তি ও পুনর্গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী গঠিত নতুন শান্তি বোর্ডে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছেন। এই বোর্ডটি হোয়াইট হাউসের ২০‑পয়েন্ট পরিকল্পনার অংশ, যার লক্ষ্য ইসরায়েল‑হামাস সংঘাতের সমাপ্তি এবং গাজা অঞ্চলের পুনর্নির্মাণ তত্ত্বাবধান করা।

বোর্ডের কাঠামোতে বিশ্ব নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং তা সাময়িকভাবে গাজা অঞ্চলের প্রশাসন ও পুনর্নির্মাণ কাজের তদারকি করবে বলে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের কূটনীতিকরা বোর্ডের ভূমিকা ও সদস্যদের সম্পর্কে আরও স্পষ্টতা চাইছেন।

সানডে টাইমস প্রথমবার প্রকাশ করে যে স্যার কীকে বোর্ডে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে সরকারী সূত্রের মতে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাওয়া যায়নি এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের মিডিয়া জানাচ্ছে যে ট্রাম্প এই সপ্তাহের মধ্যে বোর্ডের সদস্যদের তালিকা প্রকাশ করবেন।

প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার টনি ব্লেয়ারকে একটি পৃথক নির্বাহী বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে ট্রাম্পের উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফও অংশ নেবেন। সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে স্যার টনি এই শান্তি বোর্ডের সদস্য হবেন এবং তিনি আমেরিকান পরিকল্পনাকে “দুই বছরের যুদ্ধ, দুঃখ ও কষ্টের শেষের সর্বোত্তম সুযোগ” বলে উল্লেখ করেন। তবে কিছু মধ্যপ্রাচ্যের দেশ তার ভূমিকা নিয়ে আপত্তি জানায়, কারণ তিনি ইরাকের যুক্তরাষ্ট্র‑নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযানে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী পাঠিয়েছিলেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমান থেকে বোর্ডের গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “এই বোর্ডে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দেশ ও নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে” এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এই উদ্যোগে অংশগ্রহণের ইচ্ছা শক্তিশালী। ট্রাম্পের মতে, গাজা শান্তি বোর্ডে সবাই অংশ নিতে চায়।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রী ইয়েভেট কোপারকে সংসদে স্যার কী ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডে যোগ দিয়েছেন কিনা তা জিজ্ঞাসা করা হয়। তিনি সরাসরি উত্তর না দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ২০‑পয়েন্ট পরিকল্পনা সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং গাজায় স্থগিত যুদ্ধবিরতি এখনও অস্থির অবস্থায় রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

এই সময়ে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গাজা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে সমন্বয় বাড়ানোর সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। যদি স্যার কী স্টারমার বোর্ডে যোগ দেন, তবে ব্রিটেনের আন্তর্জাতিক শান্তি প্রচেষ্টায় ভূমিকা শক্তিশালী হবে এবং ট্রাম্পের উদ্যোগের প্রতি যুক্তরাজ্যের সমর্থন স্পষ্ট হবে। অন্যদিকে, টনি ব্লেয়ারের অংশগ্রহণে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশের আপত্তি পুনরায় উত্থাপিত হতে পারে, যা বোর্ডের গঠন ও কার্যক্রমে জটিলতা বাড়াতে পারে।

গাজা অঞ্চলের পুনর্গঠন ও স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করার জন্য এই শান্তি বোর্ডের কার্যকারিতা ও সদস্যদের সমন্বয় কীভাবে কাজ করবে, তা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। ভবিষ্যতে বোর্ডের সদস্য তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে গাজা পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হবে, তা বিশ্ব রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments