20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনযশের ‘টক্সিক’ টিজারকে কর্ণাটক মহিলা কমিশনে অশ্লীলতার অভিযোগ

যশের ‘টক্সিক’ টিজারকে কর্ণাটক মহিলা কমিশনে অশ্লীলতার অভিযোগ

কেজিএফ-প্রসিদ্ধ অভিনেতা যশের নতুন ছবি ‘টক্সিক’ এর টিজার ৮ জানুয়ারি প্রকাশের পরই বিতর্কের মুখে পড়েছে। টিজারে গাড়ির ভেতরে এক নারীর সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি ও দৃশ্যের ভিজ্যুয়াল উপাদানকে অশ্লীল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আম আদমি পার্টির (এএপি) মহিলা শাখা কর্ণাটক রাজ্য মহিলা কমিশনে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে।

‘টক্সিক’ ছবির পরিচালক গীতু মোহানদাসের এই টিজারটি সামাজিক মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে শেয়ার হওয়ার পরই কিছু দর্শকের কাছ থেকে আপত্তিকর মন্তব্য পাওয়া যায়। টিজারের দৃশ্যটি সংলাপের চেয়ে ভিজ্যুয়াল ইঙ্গিতের ওপর বেশি নির্ভরশীল, যা কিছু দর্শকের মতে নারীর মর্যাদা ও শিশুদের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এএপি মহিলা শাখা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছে যে টিজারে কোনো বয়স সীমা বা কন্টেন্ট ওয়ার্নিং না দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে, ফলে সকল বয়সের দর্শকই তা দেখতে পেয়েছে। তারা টিজারটি অবিলম্বে সরিয়ে ফেলতে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে মুছে ফেলতে দাবি জানিয়েছে।

কর্ণাটক রাজ্য মহিলা কমিশন অভিযোগ গ্রহণের পর বিষয়টি তদন্তের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছে। কমিশন জানিয়েছে যে, অভিযোগের প্রমাণাদি সংগ্রহ করে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় হলে টিজারটি প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

‘টক্সিক’ ছবির প্রচারমূলক কার্যক্রমে টিজারটি মূল ভূমিকা পালন করছিল, তবে এখন এই বিতর্কের কারণে ছবির মুক্তি পূর্বে থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। চলচ্চিত্রের ভক্তরা টিজারটি নিয়ে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করে, কেউ এটি শিল্পের স্বতন্ত্র প্রকাশ হিসেবে সমর্থন করে, আবার কেউ অশ্লীলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

টিজারটি প্রকাশের পর থেকে সামাজিক মিডিয়ায় মন্তব্যের পরিমাণ বেড়েছে, যেখানে কিছু ব্যবহারকারী দৃশ্যের সৃজনশীলতা ও আধুনিকতা প্রশংসা করেছেন, অন্যদিকে কিছু ব্যবহারকারী দৃশ্যের নৈতিক দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই মতবিরোধের ফলে টিজারটি দ্রুতই মিডিয়ার শিরোনামে উঠে এসেছে।

এএপি মহিলা শাখা টিজারটি পুনরায় প্রকাশের আগে বয়স-সীমা ও বিষয়বস্তু সতর্কতা যুক্ত করার প্রস্তাবও দিয়েছে। তারা উল্লেখ করেছে যে, চলচ্চিত্রের বিষয়বস্তু যদি শিশু ও নারীর উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, তবে তা সংশোধন করা উচিত।

চলচ্চিত্রের প্রযোজক গীতু মোহানদাসের দল এখনও টিজারটি নিয়ে কোনো মন্তব্য প্রকাশ করেনি। তবে শিল্পের স্বায়ত্তশাসন ও সৃজনশীল স্বাধীনতা রক্ষার জন্য তারা টিজারটি সংশোধন না করার সম্ভাবনা উল্লেখ করতে পারে।

কর্ণাটক মহিলা কমিশনের তদন্তের ফলাফল এখনও প্রকাশিত হয়নি, তবে তারা জানিয়েছে যে, প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। এই প্রক্রিয়ায় টিজারটি সামাজিক মিডিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে কিনা, তা নির্ধারিত হবে।

বিনোদন জগতে এই ধরনের বিতর্ক প্রায়ই দেখা যায়, যেখানে সৃজনশীলতা ও সামাজিক দায়িত্বের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখতে হয়। ‘টক্সিক’ টিজারকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা শিল্পের নৈতিক দিক ও দর্শকের সংবেদনশীলতার মেলবন্ধনকে পুনরায় প্রশ্নের মুখে এনেছে।

যশের ‘টক্সিক’ ছবির মুক্তি এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে টিজার নিয়ে চলমান বিতর্কের প্রভাব ভবিষ্যতে ছবির প্রচার কৌশল ও বিষয়বস্তু নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। চলচ্চিত্রের ভক্ত ও সমালোচক উভয়ই এই বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করছেন।

বিনোদন ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত খবরের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে, এই বিষয়ের আপডেট এবং কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তথ্য প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাঠকদের জানানো হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments