20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধ২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় ১,০৮ শিশু প্রাণ হারিয়েছে

২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় ১,০৮ শিশু প্রাণ হারিয়েছে

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ২০২৫ সালের এক বছরের মধ্যে ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী ১,০৮ শিশু সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে। এই তথ্য ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সংস্থার নিজস্ব রেকর্ডের সমন্বয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট ১,০০৮ শিশুর মধ্যে ৫৩৭ জন যানবাহনের যাত্রী, চালক বা হেলপার হিসেবে নিহত হয়েছে। বাকি ৪৭১ শিশু পথচারী অবস্থায় বিভিন্ন গাড়ি, ট্রাক বা মোটরসাইকেলের চাপা বা ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছে।

দুর্ঘটনা ঘটার সময় ও স্থান বিশ্লেষণে দেখা যায়, স্কুলে যাওয়া-আসার সময় এবং বসতবাড়ির আশপাশের সড়কে খেলাধুলা করার সময় শিশুর মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় পথচারী শিশুরা বেশি শিকার হচ্ছে।

সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই সড়কগুলোতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি কম। ফলে গাড়ি-যানবাহন বেপরোয়াভাবে চলাচল করে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন উল্লেখ করেছে, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রাফিক পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতা প্রয়োজন। বিশেষ করে শিশুরা যেসব সময়ে বেশি সড়কে থাকে, সেই সময়ে গতি সীমা ও পার্কিং নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করা উচিত।

দুর্ঘটনা ঘটার পর স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে আহত শিশুরা ত্বরিত চিকিৎসা পেয়েছে, তবে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জরুরি পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, স্কুলের পথে সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় শিক্ষার্থীদের নিরাপদে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে। তারা সড়কে সিগন্যাল, পেডেস্ট্রিয়ান ব্রিজ এবং সঠিক রোড মার্কিং স্থাপনের দাবি জানিয়েছে।

স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থাগুলোও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ক্যাম্পেইন চালু করেছে। তারা শিশু ও অভিভাবকদের ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার গুরুত্ব সম্পর্কে তথ্য প্রদান করছে।

অপরদিকে, ট্রাফিক আইন প্রয়োগকারী বিভাগে দাবি করা হচ্ছে, সড়কে গতি সীমা অতিক্রমকারী চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি আরোপ করা হবে। এ ধরনের পদক্ষেপ দুর্ঘটনা কমাতে সহায়ক হতে পারে।

দুর্ঘটনা ঘটার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট গাড়ি চালকদের লাইসেন্স ও রেকর্ড যাচাই করছে। তবে এখনো কোনো অপরাধী বা দায়ী ব্যক্তি চিহ্নিত করা যায়নি।

সংস্থার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ঘাটতি প্রধান কারণ। ভবিষ্যতে সড়ক পরিকল্পনা ও রক্ষণাবেক্ষণে এই বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন শেষ করে বলেছেন, শিশুরা দেশের ভবিষ্যৎ, তাই তাদের সুরক্ষার জন্য সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। সরকার, স্থানীয় প্রশাসন এবং সমাজের সকল স্তরকে একত্রে কাজ করে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments