22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাসন্দীপ লামিচানে ফিরে এলেন BPL-এ, নেপালের ক্রিকেট ধর্মীয় উত্সাহে পরিপূর্ণ

সন্দীপ লামিচানে ফিরে এলেন BPL-এ, নেপালের ক্রিকেট ধর্মীয় উত্সাহে পরিপূর্ণ

নেপালের প্রধান লেগ‑স্পিনার সন্দীপ লামিচানে, ২৫ বছর বয়সে, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১২তম মৌসুমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের হয়ে খেলতে ফিরে এসেছেন; তার ফিরে আসা নেপালের ক্রিকেটের উত্থান ও আন্তর্জাতিক টি‑২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি নেপালের জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য এবং বিভিন্ন বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা রাখেন, যা তার খেলা ও নেতৃত্বকে সমৃদ্ধ করেছে।

সন্দীপের আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি ২০১৬ সালের অন্ডার‑১৯ বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশে প্রথম প্রকাশ পায়, যেখানে তিনি তরুণ প্রতিভা হিসেবে নজর কেড়েছিলেন। এরপর ২০১৯ সালে তিনি সিলেট সিক্সার্সের হয়ে BPL‑এ অংশ নেন, যা তার ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের যাত্রার সূচনা করে। সিলেটের পর তিনি অন্যান্য বিদেশি লিগে খেললেও, বাংলাদেশে তার প্রথম পারফরম্যান্স নেপালের ভক্তদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখে গেছে।

এই বছর তিনি রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের দলে সাইন করে BPL‑এর ১২তম এডিশনে অংশ নিচ্ছেন, যেখানে পূর্বের দুই মৌসুমের তুলনায় বেশি ম্যাচের সুযোগ পাবেন। তার উপস্থিতি নেপালের তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য উদ্দীপনা এবং দেশের ভক্তদের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি বলছেন, এই মৌসুমে তিনি ধারাবাহিকভাবে পাঁচ থেকে ছয়টি ম্যাচে খেলবেন, যা তার লেগ‑স্পিনের সূক্ষ্মতা প্রকাশের জন্য আদর্শ মঞ্চ।

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বা BPL কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণ পেয়ে তিনি দেশে ফিরে আসার সুযোগ পান। একই সময়ে তিনি বিভিন্ন বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ও নেপালের আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডারের সঙ্গে ব্যস্ত ছিলেন, ফলে সময়সূচি মেলাতে কিছুটা দেরি হয়। শেষ পর্যন্ত একটি স্থানীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে প্রস্তাব পেয়ে তিনি আনন্দের সঙ্গে রাজশাহীর জন্য খেলতে সম্মত হন, এবং বললেন যে এই প্রস্তাব তার জন্য দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষার পর একটি স্বাগত স্বীকৃতি।

বিএফএল‑এর গঠনগত দিক থেকে তিনি উল্লেখ করেন যে বড় কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করেননি; ক্রিকেটের প্রতি উত্সাহ ও সম্মান আগের মতোই রয়ে গেছে। দলীয় গঠন পরিবর্তন স্বাভাবিক, তবে শিরোপা জয়ের তাগিদ সবসময় সমান। ২০১৯ সালে সিলেটে তিনি কম ম্যাচ খেলেছিলেন, আর এই মৌসুমে তিনি ধারাবাহিকভাবে বেশ কয়েকটি ম্যাচে অংশ নেবেন, যা তার পারফরম্যান্সের জন্য উপকারী। স্টেডিয়ামের পরিবেশ, ভক্তদের চিৎকার এবং ম্যাচের তীব্রতা তিনি ‘অসাধারণ’ বলে বর্ণনা করেছেন, এবং উল্লেখ করেছেন যে বাংলাদেশে ক্রিকেটের উত্সাহ নেপালের তুলনায় কম নয়।

নেপালের ভক্তরা তার পারফরম্যান্সকে ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করে, এবং যখন তিনি দু’টি ম্যাচে বাদ পড়েন তখন সামাজিক মাধ্যমে বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি হয়। হ্যাশট্যাগ এবং ভিডিও শেয়ার করে ভক্তরা তার ফিরে আসা ও খেলায় প্রত্যাশা প্রকাশ করে। তিনি বলেন, নেপালের মানুষ ক্রিকেটকে কেবল একটি খেলাধুলা নয়, ধর্মের সমতুল্য মানসিকতা গড়ে তুলেছে; ভক্তদের স্বপ্ন তার মাধ্যমে পূরণ হয়। এই উত্সাহের মাত্রা দেশের স্টেডিয়াম ও টেলিভিশন রেটিংয়ে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

খেলোয়াড়দের স্টার্টিং একিনে না থাকা নিয়ে ভক্তদের হতাশা স্বাভাবিক, তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে এমন সিদ্ধান্তগুলো টিমের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সঠিক সমন্বয়ের জন্য নেওয়া হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দলীয় কৌশল এবং মাঠে সঠিক সংমিশ্রণ নিশ্চিত করতে কখনও কখনও কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যা শেষ পর্যন্ত টিমের দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের ভিত্তি গড়ে তোলে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments