19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষানারায়ণগঞ্জের হাফিজিয়া মাদ্রাসায় লুকিয়ে মোবাইল ব্যবহারকারী ১০ শিক্ষার্থীর ফোন ভেঙে ফেলা হয়

নারায়ণগঞ্জের হাফিজিয়া মাদ্রাসায় লুকিয়ে মোবাইল ব্যবহারকারী ১০ শিক্ষার্থীর ফোন ভেঙে ফেলা হয়

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে গোপালদীর রামচন্দ্রদী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় লুকিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অভিযোগে অন্তত দশজন শিক্ষার্থীর ফোন ভাঙা হয়েছে। ঘটনাটি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ ওয়ালিউল্যাহের নির্দেশে ঘটেছে এবং স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থার শৃঙ্খলা রক্ষার নামে নেওয়া হয়েছে।

মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ নিয়ম অনুযায়ী কোনো শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অনুমতি নেই। নিয়ম ভঙ্গ করলে ফোনটি তৎক্ষণাৎ ভেঙে ফেলা এবং শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা করা হয়। এই শর্তটি ভর্তি প্রক্রিয়ার সময়ই অভিভাবকদের জানানো হয় এবং স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়।

প্রধান শিক্ষক হাফেজ ওয়ালিউল্যাহ জানান, মোবাইল ফোনের ব্যবহার শিক্ষার পরিবেশকে ব্যাহত করে এবং শিক্ষার্থীর মনোযোগ কমিয়ে দেয়। তাই, কোনো শিক্ষার্থীকে ফোন নিয়ে ধরা পড়লে তা অবিলম্বে নষ্ট করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কারের বিধান প্রয়োগ করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, এই নীতি মাদ্রাসার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অপরিহার্য।

এ পর্যন্ত মাদ্রাসায় কয়েকবার ফোন জব্দের ঘটনা ঘটেছে। পূর্বে জব্দ করা ফোনগুলোও একই প্রক্রিয়ায় ভেঙে ফেলা হয় এবং অভিভাবকদের জানানো হলে তারা এই সিদ্ধান্তে সম্মতি দেন। ফলে, ফোন ভাঙার কাজটি মাদ্রাসার প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে।

মাদ্রাসার সভাপতি মো. মুছা মিয়া জানান, তিনি প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং মাদ্রাসার রেজুলেশন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার জন্য আগামী শনিবার একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মতামত শোনা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুর রহমানের মতে, তিনি এই ঘটনার সম্পর্কে পূর্বে অবহিত ছিলেন না। তিনি জানান, বিস্তারিত জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং মাদ্রাসার শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মাদ্রাসার কঠোর নীতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোবাইল ফোনের ব্যবহারকে সম্পূর্ণরূপে দমন করার লক্ষ্যে গৃহীত। যদিও কিছু অভিভাবক এই পদ্ধতিকে কঠোর বলে সমালোচনা করেন, মাদ্রাসার প্রশাসন শিক্ষার পরিবেশকে অক্ষত রাখার জন্য এই ধরনের পদক্ষেপকে অপরিহার্য বলে বিবেচনা করে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিয়ে নীতি নির্ধারণের সময় অভিভাবকদের সঙ্গে স্পষ্টভাবে আলোচনা করা এবং তাদের সম্মতি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোনো শিক্ষার্থী ফোন ব্যবহার করে ধরা পড়ে, তবে ন্যায়সঙ্গত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, যাতে শিক্ষার্থীর অধিকার ও শিক্ষার গুণগত মান উভয়ই রক্ষা পায়।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments