বিনোদন জগতের পরিচিত অভিনেতা ও মানবিক কাজের সমর্থক সোনু সুধ সম্প্রতি গুজরাটের একটি গরু আশ্রয়ে দুই কোটি দুই লাখ টাকার দান করেছেন। এই অর্থের মাধ্যমে আশ্রয়ের দৈনন্দিন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া এবং পশুদের মৌলিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
দানকৃত তহবিলটি মূলত আশ্রয়ের খাবার, পানি, এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য ব্যবহার করা হবে। গরু ও গরীবাছার জন্য বিশেষায়িত এই কেন্দ্রটি পরিত্যক্ত ও আহত গবাদি পশুদের সুরক্ষা, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে।
আশ্রয়ের পরিচালনা দল জানিয়েছে, তাদের কাজের পরিধি বিস্তৃত; গবাদি পশুদের পুনর্বাসন, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা, পাশাপাশি সঠিক পোষণ নিশ্চিত করা তাদের মূল দায়িত্ব। তবু আর্থিক সীমাবদ্ধতা প্রায়ই সেবা প্রদানকে বাধাগ্রস্ত করে।
এমন সময়ে সোনু সুধের দান আশ্রয়ের জন্য বড় সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রাণী রক্ষার গুরুত্ব মানব সেবার সমান এবং সমাজের সকলের দায়িত্ব এই কাজকে সমর্থন করা।
সোনু সুধের মন্তব্যে তিনি প্রাণীর মর্যাদা ও সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন, এবং সবাইকে একসাথে এই ধরনের সংস্থাগুলোকে সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তার কথায় স্পষ্ট হয়েছে যে, পশু কল্যাণের জন্য সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।
অভিনেতা সুধের দাতব্য কাজের পরিধি চলচ্চিত্র শিল্পের বাইরে বিস্তৃত। তিনি অতীতে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা সহায়তা, দুর্যোগ ত্রাণ এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য নানা প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেছেন। এই নতুন দান তার মানবিক উদ্যোগের আরেকটি দিককে আলোকিত করে।
গরু আশ্রয়ের ব্যবস্থাপনা দল দানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে এবং উল্লেখ করেছে যে, এই পরিমাণ অর্থ তাদেরকে জরুরি চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং দৈনন্দিন পরিচালনা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দেবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরু ও গরীবাছার মতো পশুদের সুরক্ষা সমাজের নৈতিক দায়িত্বের অংশ এবং এ ধরনের দান তাদের জীবনের মান উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সোনু সুধের এই দান গুজরাটের পশু রক্ষার প্রচেষ্টাকে নতুন উদ্যম দেবে এবং অন্যান্য দাতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সামগ্রিকভাবে, সোনু সুধের দান গরু আশ্রয়ের কার্যক্রমকে স্থিতিশীল করবে এবং পশু কল্যাণের প্রতি জনসচেতনতা বাড়াবে। তার ধারাবাহিক মানবিক কাজ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এই দানের মাধ্যমে গুজরাটের গরু আশ্রয় ভবিষ্যতে আরও বেশি পশুকে সুরক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা প্রদান করতে সক্ষম হবে, যা শেষ পর্যন্ত প্রাণী ও মানুষের সমন্বিত মঙ্গল নিশ্চিত করবে।



