27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলামুস্তাফিজুরের আইপিএল বাদে বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট সম্পর্ক তীব্র, বি এন পি মহাসচিবের তীব্র...

মুস্তাফিজুরের আইপিএল বাদে বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট সম্পর্ক তীব্র, বি এন পি মহাসচিবের তীব্র মন্তব্য

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসিকে জানিয়েছে যে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতীয় মাটিতে দলটি অংশগ্রহণ করবে না। এই সিদ্ধান্তের পেছনে সাম্প্রতিক সময়ে মুস্তাফিজুর রহমানের ইনডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) থেকে বাদ পড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। আইপিএল বাদের ফলে দু’দেশের মধ্যে ক্রিকেট সম্পর্কের তাপমাত্রা বাড়ে বলে বিশ্লেষকরা সতর্কতা প্রকাশ করেছে।

মুস্তাফিজুর রহমান, যিনি গত বছর থেকে আইপিএল-এ ধারাবাহিকভাবে পারফরম্যান্স দিয়ে দলের জন্য মূল্যবান উইকেট ও রানের অবদান রেখেছেন, এই বছর তার দল থেকে বাদ পড়ার খবর প্রকাশের পরই বিসিবি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তৃক করা এই বাদের কারণ সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশিত হয়নি, তবে খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স ও ফিটনেস সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিসিবি এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)কে জানিয়েছে যে, দলটি ভারতে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ না করার কারণ হিসেবে খেলোয়াড়ের সম্মান ও জাতীয় গর্বকে রক্ষা করা উল্লেখ করা হয়েছে। আইসিসি থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে টুর্নামেন্টের সময়সূচি ও অন্যান্য দলের প্রস্তুতি বিবেচনা করে এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক স্তরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যিনি থাকুরগাঁয়ের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এই বিষয়টি উত্থাপন করেন, তিনি তীব্র সমালোচনা প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, মুস্তাফিজুরের আইপিএল থেকে বাদ পড়া কেবল একজন খেলোয়াড়ের নয়, পুরো দেশের গৌরবের প্রতি আঘাত। তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, এই ধরনের সিদ্ধান্তের ফলে জাতীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আলমগীরের মতে, মুস্তাফিজুরের অপমান করা মানে বাংলাদেশের অপমান করা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রাজনৈতিক ও জাতীয় স্বার্থের মিশ্রণ স্বাভাবিক, তবে তা কখনো খেলোয়াড়ের মর্যাদা হ্রাসের মাধ্যমে প্রকাশ করা উচিত নয়। তার মন্তব্যে দেখা যায় যে, ক্রিকেটের এই ঘটনাকে কেবল ক্রীড়া নয়, দেশের সম্মান রক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকেও দেখা দরকার।

বক্তব্যে তিনি আরও যোগ করেন, “ক্রিকেটের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক রাজনীতি জড়িত, দেশের সম্মান জড়িত। নিঃসন্দেহে আমাদের একজন ক্রিকেটারকে অপমান করা হয়েছে।” এই কথাগুলো থেকে স্পষ্ট যে, তিনি ক্রিকেটকে জাতীয় গর্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখেন এবং কোনো একক সিদ্ধান্তে দেশের গৌরব ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া স্বীকারযোগ্য নয়।

বিসিবি যে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা নিয়ে আলমগীরের সমর্থন প্রকাশ পায়। তিনি বলেন, “আমরা এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত।” তবে তিনি এটাও উল্লেখ করেন যে, ছোটখাটো বিষয়গুলোতে একমত হওয়া প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে এমন বিরোধ এড়ানো যায়। তার এই মন্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, তিনি ক্রীড়া নীতিতে সমন্বয় ও ঐক্যের পক্ষে সুর তুলেছেন।

বর্তমানে বাংলাদেশ দল আইসিসি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও ভারতে না গিয়ে অংশগ্রহণের বিষয়টি এখনও আলোচনার মধ্যে রয়েছে, তবে বিসিবি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে দলটি অন্যান্য প্রস্তুতি কার্যক্রমে মনোযোগ দিচ্ছে। আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রশিক্ষণ শিবির ও বন্ধুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো এই পরিস্থিতিতে দলকে মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত রাখতে সহায়তা করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments