20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধটেকনাফের ৯‑বছরী শিশুর মাথায় গুলির আঘাত, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে আইসিইউতে অবস্থান

টেকনাফের ৯‑বছরী শিশুর মাথায় গুলির আঘাত, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে আইসিইউতে অবস্থান

মিয়ানমার সীমান্তের নিকটবর্তী কক্সবাজারের টেকনাফে রোববার সকালবেলায় ৯ বছর বয়সী হুজাইফা আফনান গুলিবিদ্ধ হন। দাদার সঙ্গে নাস্তা আনতে গিয়ে সীমান্ত পারাপার গুলির শিকার হওয়ার পর, তার চাচা শওকত আলী তাকে বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নিয়ে যান। হুজাইফা কক্সবাজারের লম্বাবিল গ্রাম, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং জসিম উদ্দিনের কন্যা।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের আইসিইউতে পৌঁছানোর পর, হাসপাতালে জরুরি শল্যচিকিৎসা করা হয়। অপারেশনের সময় ডাক্তাররা গুলিটি মস্তিষ্কের গভীরে বসে থাকা অবস্থায় তা বের করতে পারেননি। আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডা. হারুনুর রশীদ জানান, “গুলিটি মস্তিষ্কের ভেতরে আটকে আছে, তাই অপারেশন করেও তা সরানো সম্ভব হয়নি।” বর্তমানে হুজাইফা লাইফ সাপোর্টে রয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি এখনো দেখা যায়নি।

ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে এবং গুলিবিদ্ধ শিশুর ক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলা দায়ের করে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির গুলি-ধ্বংসাবশেষ সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক দলকে পাঠানো হয়েছে। গুলির উৎস ও দায়ী ব্যক্তিদের সনাক্তকরণের জন্য সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। বর্তমানে মামলাটি স্থানীয় থানা ও জেলা পর্যায়ে তদন্তাধীন, এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহের পর আদালতে আনা হবে।

হুজাইফার পরিবার ও প্রতিবেশীরা ঘটনায় শোক প্রকাশ করে এবং দ্রুত চিকিৎসা সেবা পাওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানায়। তবে, শিশুর জীবনের ঝুঁকি এবং গুলির গহ্বরের গভীরতা নিয়ে উদ্বেগের সুর বজায় রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংস্থা এই ধরনের সীমান্ত পারাপার গুলির ঘটনা রোধে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

অধিকন্তু, গুলিবিদ্ধ শিশুর চিকিৎসা সংক্রান্ত আপডেট এবং তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য প্রদান করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, গুলির উৎস ও দায়ী ব্যক্তিদের সনাক্তকরণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করা জরুরি। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা পুনরায় না ঘটার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এই ঘটনার পর, স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ ও মানবিক সংস্থা হুজাইফা ও তার পরিবারের জন্য মানসিক ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করার কথা জানিয়েছে। একই সঙ্গে, গুলিবিদ্ধ শিশুর চিকিৎসা অবস্থা সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট প্রদান করা হবে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত বিশেষজ্ঞের সহায়তা নেওয়া হবে।

সীমান্তে চলমান গুলির গতি ও নিরাপত্তা সমস্যার সমাধানের জন্য সরকারী ও বেসরকারি সংস্থাগুলি সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে। গুলিবিদ্ধ শিশুর অবস্থা স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত, আইসিইউতে তার যত্ন অব্যাহত থাকবে এবং চিকিৎসা দল সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments