23 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাম্যাক্রো সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ হারিয়ে গেছেন বিশ্লেষক রিয়াজ

ম্যাক্রো সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ হারিয়ে গেছেন বিশ্লেষক রিয়াজ

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজের মতে, বর্তমান সরকার ভঙ্গুর অর্থনৈতিক ভিত্তি থেকে সামষ্টিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারলেও, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং কাঠামোগত সংস্কারের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে, ফলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ হারিয়ে গেছে।

অন্তর্বর্তী সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত দুর্বল আর্থিক অবস্থায় প্রবেশ করে, রিজার্ভের সুরক্ষা এবং মুদ্রা স্থিতিশীলতা রক্ষায় কিছু সাফল্য দেখিয়েছে, তবে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ সীমিত রাখায় নতুন প্রকল্প ও শিল্পের প্রবৃদ্ধি ধীর হয়ে পড়েছে।

রিয়াজ উল্লেখ করেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যথেষ্ট শক্তিশালী না হওয়ায় এবং নীতি নির্ধারণে বেসরকারি সংস্থাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত না করার ফলে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি—বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান—থমকে গেছে।

নতুন সরকারের প্রধান কাজ হিসেবে তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ত্বরান্বিত পদক্ষেপ এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দিতে বলছেন, যাতে সাধারণ মানুষের জীবনের মান উন্নত হয়।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষক রিয়াজের মতে, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি গভীর সামষ্টিক সংকটে রয়েছে, যা কোনো স্বল্পমেয়াদী ধাক্কা নয়, বরং ২০২২ সালের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘমেয়াদী মন্দার ফল।

এই সময়কালে মূল সূচকগুলো ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়েছে; মুদ্রার মান, বৈদেশিক রিজার্ভ, মূল্যস্ফীতি এবং ব্যাংকিং খাতের স্বাস্থ্যের অবনতি একের পর এক প্রকাশ পেয়েছে, যা ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান ছিল।

বিশেষ করে টাকার মানে উল্লেখযোগ্য পতন ঘটেছে; প্রায় দুই বছরের মধ্যে বাংলাদেশি টাকা প্রায় ৪০ শতাংশ অবমূল্যায়িত হয়েছে, যা রপ্তানি ও আমদানি উভয়েরই ব্যয় বাড়িয়ে তুলেছে।

বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পরিমাণও নাটকীয়ভাবে কমে $১৮‑১৯ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি নেমে এসেছে, যা পূর্বের স্তরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হ্রাস।

মূল্যস্ফীতি এক পর্যায়ে ১৪ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছায়, ফলে গৃহস্থালী ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে এবং ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায়।

ব্যাংকিং সেক্টরে নন‑পারফর্মিং লোনের পরিমাণ বৃদ্ধি, প্রভিশনিং ও ক্যাপিটাল ঘাটতির মতো সমস্যাগুলো আর্থিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে; এই পরিস্থিতি ঋণপ্রাপ্তি কঠিন করে তুলছে এবং বিনিয়োগকারীর আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে।

বাজারের দৃষ্টিতে, এই সব সূচকের অবনতি বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগের প্রবাহ হ্রাস, রপ্তানি শিল্পের উৎপাদন কমে যাওয়া এবং অভ্যন্তরীণ ক্রেডিটের সংকোচন ঘটাতে পারে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে ধীর করবে।

রিয়াজের বিশ্লেষণ থেকে স্পষ্ট যে, কাঠামোগত সংস্কার, বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মুদ্রা ও রিজার্ভের স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার না হলে, ভবিষ্যতে মুদ্রা

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments