20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধকক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ ১২‑বছরী শিক্ষার্থী আইসিইউতে ভর্তি

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ ১২‑বছরী শিক্ষার্থী আইসিইউতে ভর্তি

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) তেচ্ছিব্রিজ গ্রামে রোববার সকাল প্রায় ১০:৩০ টায় ১২ বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী আফনান আরা গুলিবিদ্ধ হন। একই সময়ে তেচ্ছিব্রিজের আরেকজন গুলিবিদ্ধ হন, যিনি জসিম উদ্দিনের মেয়ে।

আফনানকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়, যেখানে বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে রয়েছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন ইত্তেফাক ডিজিটালকে জানানো হয় যে, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং আইসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, চিকিৎসা দল সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেকও জানান, গুলিবিদ্ধ শিশুকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে এবং ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তিনি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও তদন্তের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।

এই ঘটনার পটভূমি হল মিয়ানমার রাখাইন রাজ্যে চলমান সশস্ত্র সংঘর্ষ, যেখানে আরাকান আর্মি, আরএসও, আরসা এবং নবী হোসেন গ্রুপের মধ্যে গুলিবিদ্ধের ঘটনা বাড়ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় এই গুলিবিদ্ধের প্রভাবের ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে এবং নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে।

রোববার বিকেল প্রায় ৪:৩০ টায় আফনানকে চমেক হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হয়। শিশুর মৃত্যুর খবর শোনার পর তেচ্ছিব্রিজের গ্রামবাসীরা কক্সবাজার‑টেকনাফ সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নেমে আসে। তবে শিশুর জীবিত থাকার তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবাদ দ্রুত শান্ত হয় এবং রাস্তায় ফিরে আসে।

স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে। গুলিবিদ্ধের দিকনির্দেশনা, গুলির ক্যালিবার এবং গুলি চিহ্ন বিশ্লেষণ করে দায়ী গোষ্ঠী চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হবে। সীমান্তে চলমান সামরিক কার্যক্রমের রেকর্ডও তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, গুলিবিদ্ধের ফলে সৃষ্ট প্রাণহানি ও শারীরিক ক্ষতি অপরাধমূলক দায়ের আওতায় পড়ে। ফরেনসিক পরীক্ষা, গুলিবিদ্ধের ক্যালিবার নির্ণয় এবং গুলি চিহ্নের বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আফনানের পরিবার বর্তমানে আইসিইউতে শিশুর অবস্থার আপডেটের অপেক্ষা করছে। স্থানীয় সমাজের সহানুভূতি ও সহায়তা বাড়ছে, তবে নিরাপত্তা উদ্বেগ এখনও উচ্চ। গ্রামবাসীরা নিরাপদ পরিবেশের দাবি জানিয়ে কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানাচ্ছেন।

এই ঘটনার পরবর্তী পর্যায়ে, সীমান্তবর্তী এলাকায় গুলিবিদ্ধের পুনরাবৃত্তি রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments