20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধঝিনাইদহে বাড়ি নির্মাণে ১৯৭১ সালের অবিস্ফোরিত গ্রেনেড দুইটি উদ্ধার

ঝিনাইদহে বাড়ি নির্মাণে ১৯৭১ সালের অবিস্ফোরিত গ্রেনেড দুইটি উদ্ধার

রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের বড় গড়িয়ালা গ্রামে একটি বাড়ি নির্মাণের কাজের সময় মাটিতে দুটি গোলাকার ধাতব বস্তু দেখা যায়। শ্রমিকরা তাৎক্ষণিকভাবে সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করে নিকটস্থ নলডাঙ্গা পুলিশ ক্যাম্পে জানায়।

পুলিশের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রথমে বস্তুগুলোকে অস্বাভাবিক ধাতব বস্তু হিসেবে শনাক্ত করে। পরবর্তীতে বিশদ পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেগুলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত হ্যান্ড গ্রেনেড, যা এখনও বিস্ফোরিত হয়নি।

স্থানীয় পুলিশ দ্রুত নিকটবর্তী যৌথ বাহিনীর বোমা নিষ্কাশন ইউনিটকে অবহিত করে। ইউনিটের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে গ্রেনেড দুটোকে সুরক্ষিতভাবে তুলে নেয় এবং ঝিনাইদহ সদর থানায় স্থানান্তর করে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসির মতে, গ্রেনেডগুলো সম্ভবত যুদ্ধকালে মাটির নিচে চাপা পড়ে অবিস্ফোরিত অবস্থায় রয়ে গিয়েছিল। তিনি জানান, এখন এই দুটো গ্রেনেডকে যৌথ বাহিনীর বোমা নিষ্কাশন ইউনিটের বিশেষায়িত সরঞ্জাম ও পদ্ধতি ব্যবহার করে নিষ্ক্রিয় করা হবে।

অবিস্ফোরিত সামগ্রী পাওয়া গেলে আইন অনুসারে তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সঠিক নিষ্পত্তি করা বাধ্যতামূলক। এ ধরনের বোমা বা গ্রেনেডের উপস্থিতি জনসাধারণের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করে, তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া স্বাভাবিক।

বাড়ি নির্মাণের কাজ সাময়িকভাবে থামানো হয়েছে এবং নির্মাণকারী দলকে নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনও আশেপাশের এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা বাড়িয়ে তুলেছে, যাতে অনুরূপ ঘটনা পুনরায় না ঘটে।

ঝিনাইদহে পূর্বে অনুরূপ অবিস্ফোরিত সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে; সেসব ঘটনায়ও দ্রুত পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে নিরাপদ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা দেখায় যে, ঐতিহাসিক যুদ্ধক্ষেত্রের কাছাকাছি এলাকায় নির্মাণ কাজের সময় অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন।

অবিস্ফোরিত গ্রেনেডের পুনরুদ্ধার ও নিষ্ক্রিয়করণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থানীয় জনগণকে জানাবে যে, এলাকায় নিরাপত্তা পুনরায় নিশ্চিত হয়েছে। একই সঙ্গে, ভবিষ্যতে এমন ধরণের বোমা বা গ্রেনেডের সম্ভাবনা থাকলে দ্রুত রিপোর্ট করার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে।

এই ঘটনার পর, স্থানীয় পুলিশ ও নিরাপত্তা দপ্তর একত্রে একটি পর্যবেক্ষণ দল গঠন করেছে, যা নির্মাণস্থল ও আশেপাশের এলাকায় সম্ভাব্য অবশিষ্ট সামগ্রী সনাক্ত করে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেবে। এভাবে, ঝিনাইদহের বাসিন্দা ও নির্মাণ কর্মীরা নিরাপদ পরিবেশে কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments