20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মানবশৃঙ্খল গঠন করে নিয়োগের স্বচ্ছতা দাবি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মানবশৃঙ্খল গঠন করে নিয়োগের স্বচ্ছতা দাবি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আজ দুপুর ১২:৩০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের বাইরে মানবশৃঙ্খল গঠন করে, জুলাই উত্থানের পর নিয়োগ প্রক্রিয়া, নিয়োগপ্রাপ্তদের পরিচয় ও যোগ্যতা প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।

জুলাই ২০২৪-এ ছাত্র নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক প্রতিবাদের পর প্রশাসনিক পরিবর্তন ঘটেছিল, ফলে নতুন নিয়োগের ধারাবাহিকতা শুরু হয়। ছাত্রগণ এই পরিবর্তনের স্বচ্ছতা না থাকলে শিক্ষার মান ও ন্যায়বিচার ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

শৃঙ্খলে বাংলাদেশ ছাত্র মজলিসের নেতা-সদস্য, জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের কয়েকজন নেতা এবং সাধারণ ছাত্রছাত্রীরাও অংশ নেয়। অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কয়েকশো, যারা হাতে হাত রেখে একসাথে দাঁড়িয়ে প্রশাসনের কাছে তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানায়।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান উল্লেখ করেন, জুলাই উত্থানের পর বর্তমান প্রশাসনের অধীনে প্রায় চারশো জনের বেশি নিয়োগ হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নিয়োগের বিরোধ নয়, প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা প্রয়োজন।

আশিকুরের মতে, পুরো এক বছর অর্ধেকের বেশি সময়ে করা নিয়োগের পূর্ণ বিবরণ প্রকাশ না হলে ছাত্রসংঘের শান্তি বজায় থাকবে না। তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ছাত্রগণ কোনো অনিয়ম মেনে নেবে না।

এফ আর রহমান হল ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক এবং ছাত্র দলের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সচিব তামিম চৌধুরী উল্লেখ করেন, নিয়োগ বোর্ডে পারিবারিক স্বার্থের অভিযোগ উঠেছে। তিনি বলেন, উত্থানের পর ক্যাম্পাসকে ছাত্র-বান্ধব করতে চাই, প্রশাসনকে এ ধরনের অনুশীলন ত্যাগ করতে হবে।

ছাত্র মজলিসের সভাপতি সাকিব মাহমুদ রুমি জানান, প্রশাসন নিয়োগকে স্বচ্ছ ও সৎ বলে দাবি করে আসছে। তিনি এটিকে সত্য প্রমাণের সুযোগ হিসেবে দেখছেন এবং এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সব নিয়োগ পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য ছাত্রদের সামনে তুলে ধরতে বলছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্র অনুযায়ী, ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ৫৬৫তম সিন্দিকেট সভায় মোট ১৫৩ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নিয়োগ অনুমোদিত হয়েছে। এই সংখ্যায় উল্লিখিত নিয়োগের বেশিরভাগই জুলাই উত্থানের পরের সময়ে সম্পন্ন হয়েছে।

ছাত্রগণ উল্লেখ করেন, নিয়োগের যোগ্যতা, নির্বাচনী পদ্ধতি, ফলাফল এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের মতো তথ্য না থাকলে ভবিষ্যতে আরও অনিশ্চয়তা ও বিরোধের সম্ভাবনা বাড়বে। তাই তারা প্রশাসনকে দ্রুত সব ডেটা প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে।

প্রশাসনিক ভবনের সামনে গঠিত শৃঙ্খলে অংশগ্রহণকারীরা একসাথে হাতে হাত রেখে, স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেন। এই ধরনের সমবেত কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ছাত্রসচেতনের শক্তি প্রকাশের একটি উদাহরণ।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ছাত্রগণ আশা করছেন, শৃঙ্খল গঠনের পর দ্রুত তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত হবে।

আপনার ক্যাম্পাসে যদি অনুরূপ স্বচ্ছতা সংক্রান্ত উদ্বেগ থাকে, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তরে লিখিত আবেদন জমা দিয়ে তথ্যের অধিকার দাবি করতে পারেন। তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments