20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধবহতারা থানা থেকে এএসআইর মোটরসাইকেল চুরি, সিসিটিভি রেকর্ডে অপরাধী ধরা

বহতারা থানা থেকে এএসআইর মোটরসাইকেল চুরি, সিসিটিভি রেকর্ডে অপরাধী ধরা

ঢাকার বহতারা থানায় আজ প্রাতঃকালীন ৪:৩০ টার কাছাকাছি একটি গোপন চুরি ঘটেছে। সহকারী সাব-ইনস্পেক্টর (এএসআই) ফিরোজের ব্যক্তিগত ইয়ামাহা FZS ভার্সন‑২ মোটরসাইকেল থানার ভিতরে লক করে রেখে যাওয়ার পর, দুইজন মুখোশধারী চোর তা চুরি করে।

থানার সিসিটিভি ক্যামেরা রেকর্ডে দেখা যায়, অপরাধীরা প্রথমে গেটের কাছাকাছি কিছুক্ষণ ঘুরে বেড়ায়। একজন চোর থানার প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে, সাইকেলের লক ভেঙে নেয়; অন্যজন গেটের বাইরে পাহারা দেয়। লক ভাঙার পর দুজনই সাইকেলটি থানা থেকে বের করে দ্রুত পালিয়ে যায়।

থানার ওসিআইমা উল হক জানান, এএসআই ফিরোজ দায়িত্বে যাওয়ার আগে তার সাইকেলটি থানার নিরাপত্তা গ্যারেজে লক করে রেখেছিলেন। সিকিউরিটি ক্যামেরা রেকর্ডে অপরাধীদের মুখোশ ও গতি স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

এএসআই ফিরোজের সাইকেলে জিপিএস ট্র্যাকার সংযুক্ত ছিল, তবে চোরেরা তা চুরির সময় সরিয়ে নেয়। ফলে ট্র্যাকিং সিস্টেম কাজ না করায় গাড়ি অনুসন্ধান কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে পুলিশ জিপিএস ডিভাইসের উপস্থিতি ও তার অপসারণের তথ্য ব্যবহার করে অপরাধীদের সনাক্তকরণের চেষ্টা করবে।

থানা কর্তৃপক্ষ চোরদের সনাক্ত করে গ্রেফতার করার জন্য তৎপর। সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে সম্ভাব্য সন্দেহভাজনদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং তাদের উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া, থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্মূল্যায়ন ও উন্নয়নের কাজও ত্বরান্বিত করা হয়েছে।

এই ঘটনার পর, পুলিশ বিভাগে নিরাপত্তা প্রোটোকল পুনর্বিবেচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে, থানা প্রাঙ্গণের ভিতরে ব্যক্তিগত সম্পত্তি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। এছাড়া, জিপিএস ট্র্যাকারসহ মূল্যবান সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত লক ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গৃহীত হবে।

অপরাধের সময় সিসিটিভি ক্যামেরা কাজ করলেও, চোরেরা মুখোশ পরিধান করে সনাক্তকরণ কঠিন করে তুলেছে। তাই, পুলিশ এখনো চোরদের চেহারা ও গতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য অতিরিক্ত বিশ্লেষণ চালিয়ে যাচ্ছে।

থানার ওসিআইমা উল হক উল্লেখ করেন, তদন্ত চলাকালে কোনো সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হলে তা আইনি প্রক্রিয়া অনুসারে আদালতে উপস্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে, চুরি হওয়া সাইকেলের মালিকের ক্ষতিপূরণ ও পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত বিষয়গুলোও বিবেচনা করা হবে।

এই ধরনের ঘটনা থানা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করে, যা ভবিষ্যতে পুনরাবৃত্তি রোধে যথাযথ পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। পুলিশ এখনো চোরদের সনাক্তকরণে অগ্রগতি অর্জন করতে পারে কিনা, তা সময়ই বলবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments