বিটিসিএল সম্প্রতি একই মাসিক মূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজের গতি বৃদ্ধি করে নতুন পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। এই পরিবর্তন গ্রাহকদের জন্য দ্রুত ও স্থিতিশীল সংযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। কোম্পানি দাবি করে যে, এই উদ্যোগ ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করবে।
দ্রুত ইন্টারনেট আজকের কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা ও বিনোদন ক্ষেত্রে অপরিহার্য। বাড়িতে কাজ করা, অনলাইন ক্লাসে অংশ নেওয়া এবং স্ট্রিমিং সেবা ব্যবহার করার সময় উচ্চ গতি ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা বাড়ায়। তাই বিটিসিএলের এই আপডেটটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি একই খরচে বেশি ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
নতুন প্যাকেজের তালিকা নিম্নরূপ: ৩৯৯ টাকার ‘সুলভ‑৫’ প্যাকেজের গতি এখন ২০ Mbps, যা ‘সাশ্রয়ী‑২০’ নামে পুনঃনামকরণ করা হয়েছে। ৫০০ টাকার ‘সুলভ‑১২’ প্যাকেজের গতি ২৫ Mbps-এ বৃদ্ধি পেয়ে ‘সাশ্রয়ী‑২৫’ নামে পরিচিত হয়েছে। একই মূল্যের ‘ক্যাম্পাস‑১৫’ প্যাকেজটি ৫০ Mbps গতি পেয়ে ‘ক্যাম্পাস‑৫০’ নামে রূপান্তরিত হয়েছে।
অন্যদিকে, ৮০০ টাকার ‘সুলভ‑১৫’ প্যাকেজের গতি ৫০ Mbps-এ আপডেট করা হয়েছে এবং ‘সাশ্রয়ী‑৫০’ নামে পুনঃব্র্যান্ড করা হয়েছে। ১,০৫০ টাকার ‘সুলভ‑২০’ প্যাকেজের গতি এখন ১০০ Mbps, যা ‘সাশ্রয়ী‑১০০’ নামে বাজারে আনা হয়েছে। একই মূল্যের ‘সুলভ‑২৫’ প্যাকেজের গতি ১২০ Mbps-এ উন্নীত হয়ে ‘সাশ্রয়ী‑১২০’ নামে পরিচিত।
১,৩০০ টাকার ‘সুলভ‑৩০’ প্যাকেজের গতি ১৩০ Mbps, এবং ‘সাশ্রয়ী‑১৩০’ নামে পুনঃনামকরণ করা হয়েছে। ১,৫০০ টাকার ‘সুলভ‑৪০’ প্যাকেজের গতি ১৫০ Mbps, যা ‘সাশ্রয়ী‑১৫০’ নামে বাজারে প্রবেশ করেছে। সর্বশেষে, ১,৭০০ টাকার ‘সুলভ‑৫০’ প্যাকেজের গতি ১৭০ Mbps-এ বৃদ্ধি পেয়ে ‘সাশ্রয়ী‑১৭০’ নামে প্রকাশিত হয়েছে।
বিটিসিএল জানিয়েছে যে, এই আপডেটের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য আরও নির্ভরযোগ্য, দ্রুত এবং মানসম্মত ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করা হবে। উচ্চ গতির সংযোগ ব্যবসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ডিজিটাল সেবা চালু করতে সহায়তা করবে, ফলে দেশের সামগ্রিক ডিজিটাল অবকাঠামো শক্তিশালী হবে। কোম্পানি আরও উল্লেখ করেছে যে, গ্রাহক সন্তুষ্টি ও সেবার মান বজায় রাখা তাদের প্রধান অগ্রাধিকার।
ভবিষ্যতে বিটিসিএল গ্রাহকবান্ধব উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। নতুন প্যাকেজের চালু হওয়া কেবল শুরু, পরবর্তী সময়ে আরও উচ্চ গতি ও সাশ্রয়ী মূল্যের পরিকল্পনা আনা হতে পারে। এই ধরনের পদক্ষেপ দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারের হার বাড়িয়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।



