20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাসালাহের নেতৃত্বে মিশর আইভরি কোস্টকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে সেনেগালকে মুখোমুখি

সালাহের নেতৃত্বে মিশর আইভরি কোস্টকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে সেনেগালকে মুখোমুখি

মিশরের জাতীয় দল আফ্রিকান কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আইভরি কোস্টকে ৩-২ স্কোরে পরাজিত করে সেমিফাইনালের পথে অগ্রসর হয়েছে। এই জয়টি দেশের সর্বশেষ সেরা পারফরম্যান্স হিসেবে বিবেচিত, যেখানে মোহাম্মদ সালাহের শক্তি ও গতি বিশেষভাবে উজ্জ্বল।

মিশর ২০০৮ সালের গৌরবময় যুগের পর থেকে দুইটি বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করেছে, তবে আফ্রিকান কাপের শেষ দুইবার ফাইনালে পৌঁছেছে। ২০১৭ ও ২০২১ সালের নকআউটে দলটি প্রায়ই সীমিত স্কোরে জয় পেয়েছে, তবে এবার ভিন্ন রকমের আক্রমণাত্মক খেলা দেখা গেছে।

কোয়ার্টার ফাইনালে আইভরি কোস্টের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে মিশরের আক্রমণ দ্রুত গতি পেয়েছিল। ওমর মারমুশের দ্রুত দৌড়ে তিনি ওডিলন কোস্সুনুয়ের পা জড়িয়ে গোল করেন, যা দলকে ১-০ এগিয়ে নিয়ে যায়। পরের সময়ে অতিরিক্ত গোলের মাধ্যমে স্কোর বাড়ে।

আইভরি কোস্টের প্রতিরোধ শক্তিশালী হলেও মিশরের আক্রমণ ধারাবাহিকভাবে সুযোগ তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত মিশর ৩-২ স্কোরে জয়লাভ করে, যা ২০০৮ গানা টুর্নামেন্টের একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ৪-১ জয়ের পরের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স হিসেবে চিহ্নিত।

২০০৮ সালে ঘানা গামা শহরে মিশর ৪-১ স্কোরে আইভরি কোস্টকে পরাজিত করেছিল, যেখানে কোলো তৌরে দৌড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেই ম্যাচের স্মৃতি এই কোয়ার্টার ফাইনালের গতি ও আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে দিয়েছে।

কোয়ার্টার ফাইনালের সময় হোসাম হাসান ৩৯ বছর বয়সে দলীয় ক্যাপ্টেন হিসেবে মাঠে ছিলেন, যদিও তিনি পরিবর্তন না পেয়ে বসে ছিলেন। মিডফিল্ডে এমার্সে ফায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। উভয় কোচের কৌশলগত পরিকল্পনা ম্যাচের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলেছে।

মোহাম্মদ সালাহের উপস্থিতি ও দ্রুততা পুরো দলের মনোভাবকে উজ্জীবিত করেছে। তার দৌড় ও পাসিং মিশরের আক্রমণকে গতিশীল করে তুলেছে, যা আইভরি কোস্টের রক্ষাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। সালাহের নেতৃত্বে দলটি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলেছে।

কোয়ার্টার ফাইনালের জয় মিশরকে বুধবারের সেমিফাইনালে সেনেগালের মুখোমুখি করে। এই ম্যাচে সালাহের প্রাক্তন লিভারপুল সহকর্মী সাদিও মানে তার বিপক্ষে দাঁড়াবে, যা দুই বছরের আগে ইয়াউন্ডে ফাইনালে ঘটেছিল।

ফেব্রুয়ারি ২০২২-এ ইয়াউন্ডে অনুষ্ঠিত ফাইনালে মানে পেনাল্টি শুটআউটে জয় নিশ্চিত করে, যখন সালাহের শট এখনও নেওয়া হয়নি। সেই মুহূর্তের স্মৃতি এইবারের সেমিফাইনালে উভয় খেলোয়াড়ের জন্য অতিরিক্ত প্রেরণা দেবে।

আফ্রিকান কাপের এই পর্যায়ে মিশরের পারফরম্যান্স দেশের স্বর্ণযুগের স্মৃতি জাগিয়ে তুলেছে। ২০১০ সালের পর থেকে তিনটি ধারাবাহিক কাপের স্বর্ণযুগ শেষ হওয়ার পর, দলটি এখন পুনরায় শীর্ষে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।

সেমিফাইনাল জয় মিশরকে চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে নিয়ে যাবে, যেখানে তারা আফ্রিকান ফুটবলের শীর্ষে পুনরায় দাঁড়াতে পারে। সালাহের গতি ও অভিজ্ঞতা, পাশাপাশি দলের সামগ্রিক সমন্বয়, এই লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মিশরের এই উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ভক্তদের মধ্যে নতুন আশা জাগিয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালের জয় এবং সেমিফাইনালের চ্যালেঞ্জ মিশরের ফুটবল ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হবে।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments