20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোমানকে আট ঘণ্টা আটকের পর বাড়ি ফেরত পাঠানো হয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোমানকে আট ঘণ্টা আটকের পর বাড়ি ফেরত পাঠানো হয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসান মুহাম্মদ রোমানকে প্রোডেক্টরের অফিসে প্রায় আট ঘন্টার বেশি সময় ধরে আটক করার পর, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সহায়তায় রাত ৯টায় তার বাসায় ফেরত পাঠানো হয়।

ঘটনাটি দুপুরের সময় ঘটে, যখন রোমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যালারি ১-এ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ‘বি’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা তদারকি করছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়কে একাধিক অভিযোগের মুখে পড়ে, যেখানে রোমানকে জুলাই ২০২৪-এ কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিরোধিতা করার জন্য উল্লেখ করা হয়। এর পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, যার কাজ এখনো চলমান।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়নের (Cucsu) এক নির্বাহী সদস্যের মতে, রোমানকে ‘ফ্যাসিবাদী সহচর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ভর্তি পরীক্ষার দায়িত্ব অশোভনভাবে পালন করার অভিযোগ রয়েছে।

Cucsu নেতারা রোমানকে ক্যাম্পাসে দেখার পর ডিনের অফিসে জানায়। রোমান এই তথ্য জানার সঙ্গে সঙ্গে স্থান ত্যাগের চেষ্টা করেন, তবে তাকে প্রোডেক্টরের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।

সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শামিম উদ্দিন, প্রোডেক্টর সংস্থা এবং Cucsu প্রতিনিধিরা একত্রে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনার পর রোমানকে মুক্তি দেওয়ার এবং বাড়ি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়।

জাতীয় শিক্ষক ফোরাম (Jahangirnagar University) এই ঘটনার কঠোর নিন্দা প্রকাশ করে এবং শিক্ষকদের নিরাপত্তা ও স্বায়ত্তশাসনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

Cucsu-র সাধারণ সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব জানান, রোমানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে এবং জুলাই আন্দোলনের সময় তিনি কয়েকজন শিক্ষার্থীর ওপর হয়রানি করার অভিযোগে অভিযুক্ত।

হাবিব আরও উল্লেখ করেন, পূর্বে এই অভিযোগের ভিত্তিতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চাওয়া হলেও বিশ্ববিদ্যালয় তা কার্যকর করেনি।

রোমানকে প্রোডেক্টরের অফিসে আটকে রাখার সময় তার পরিবার ও সহকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তে তিনি শেষ পর্যন্ত বাড়ি ফিরে যান।

এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটির কাজ দ্রুততর করার এবং শিক্ষকদের নৈতিকতা সংক্রান্ত নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

শিক্ষার্থীদের জন্য এই ধরনের ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়া জরুরি: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নীতি ও নৈতিকতা মানতে হবে, আর কোনো অভিযোগ থাকলে সঠিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।

আপনার মতামত কী? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত?

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments