22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধপটুয়াখালী বাউফল আপাজিলে দুই শিক্ষিকার ধর্ষণের মামলায় ২০ বছর বয়সী অনিকের বিরুদ্ধে...

পটুয়াখালী বাউফল আপাজিলে দুই শিক্ষিকার ধর্ষণের মামলায় ২০ বছর বয়সী অনিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

পটুয়াখালী জেলার বাউফল আপাজিলে দুইজন নবম শ্রেণীর শিক্ষিকার ওপর যৌন অপরাধের অভিযোগে ২০ বছর বয়সী অনিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি গত রাত্রি বাউফল থানা-তে শিকারের পক্ষ থেকে দাখিল করা হয় এবং বিষয়টি স্থানীয় পুলিশ অফিসার‑ইন‑চার্জ মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমানের তত্ত্বাবধানে চলছে।

শিকারেরা লিখিত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন যে, অনিক, যিনি মাদনপুরা ইউনিয়নের বাসিন্দা, গত বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় নয়টায় এক শিক্ষিকাকে তার বাড়িতে ডেকেছিলেন। ওই শিক্ষিকা তার বন্ধুর সঙ্গে গিয়ে অনিকের বাড়িতে পৌঁছায়, যেখানে তাকে এবং তার সহপাঠীকে যৌন নির্যাতনের শিকার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে শিকারেরা বাউফল থানা-তে গিয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিলের পর সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা পরীক্ষা করানোর জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দিকে পাঠানো হবে। চিকিৎসা পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর ফলাফল অনুযায়ী মামলায় প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে।

অনিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি এখনো আদালতে দাখিল হয়নি, তবে পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। অফিসার‑ইন‑চার্জের মতে, অনিক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন এবং তার বর্তমান অবস্থান অজানা। তাই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করার জন্য অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।

পুলিশের জানামতে, শিকারেরা অভিযোগ দাখিলের পরপরই থানা-তে গিয়ে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন এবং তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে। চিকিৎসা পরীক্ষার ফলাফল মামলার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে এবং আইনি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হবে।

অফিসার‑ইন‑চার্জ সিদ্দিকুর রহমান উল্লেখ করেছেন, শিকারেরা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, শিকারেরা ইতিমধ্যে লিখিতভাবে অভিযোগ দাখিল করেছেন এবং এখনো কোনো সাক্ষী বা অতিরিক্ত প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে।

মামলার তদন্তের সময়সূচি অনুযায়ী, শিকারেরা পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনোকোলজি বিভাগে গিয়ে শারীরিক পরীক্ষা করাবেন। এই পরীক্ষার ফলাফল শিকারেরা এবং আইনগত প্রতিনিধিদের কাছে সরবরাহ করা হবে, যা আদালতে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।

আইনি দিক থেকে, শিকারেরা অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অনিকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। বর্তমানে, অনিকের গৃহে কোনো সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই এবং তিনি গ্রেফতারের জন্য অনুসন্ধানাধীন।

পুলিশের মতে, অনিকের গৃহে কোনো সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় তিনি সহজে পালিয়ে যেতে পেরেছেন। তাই, পুলিশ তার বর্তমান অবস্থান জানার জন্য স্থানীয় তথ্য সংগ্রহ এবং প্রতিবেশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

অফিসার‑ইন‑চার্জের মন্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে, শিকারেরা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, মামলাটি যথাযথভাবে তদন্ত করা হবে এবং শিকারেরা যথাযথ সুরক্ষা পাবে।

এই মামলায় শিকারেরা এবং তাদের পরিবারকে মানসিক ও শারীরিক সহায়তা প্রদান করা হবে। স্থানীয় সমাজে এই ধরনের অপরাধের প্রতি সংবেদনশীলতা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে।

বাউফল আপাজিলের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি এই মামলায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং শিকারেরা যেন ন্যায়বিচার পায় তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে। মামলার অগ্রগতি এবং আদালতের রায়ের অপেক্ষায় শিকারেরা এবং তাদের পরিবার অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments