22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনগ্রেটফুল ডেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বব ওয়েয়ার ৭৮ বছর বয়সে মারা গেছেন

গ্রেটফুল ডেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বব ওয়েয়ার ৭৮ বছর বয়সে মারা গেছেন

গ্রেটফুল ডেডের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও গীতিকার বব ওয়েয়ার, ৭৮ বছর বয়সে গত শনিবার মৃত্যুবরণ করেছেন। পরিবার ইনস্টাগ্রাম মাধ্যমে জানিয়েছে যে তিনি প্রিয়জনের সান্নিধ্যে শান্তভাবে চলে গেছেন। ওয়েয়ার ১৯৬০-এর দশকে গঠিত এই আইকনিক রক ব্যান্ডের “অন্য” সদস্য হিসেবে সঙ্গীত জগতে দীর্ঘায়ু ছাপ রেখে গেছেন।

পরিবারের প্রকাশে বলা হয়েছে, ওয়েয়ার ক্যান্সারকে সাহসের সঙ্গে পরাস্ত করে জীবনের শেষ পর্যায়ে শ্বাসযন্ত্রের সমস্যার কারণে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ক্যান্সার নির্ণয় হওয়ার পরেও সঙ্গীতের মঞ্চে ফিরে আসেন, যা তার অটল সৃষ্টিশীলতা ও দৃঢ়তার প্রমাণ।

ক্যান্সার রোগ নির্ণয় জুলাই মাসে হলেও, ওয়েয়ার পরের মাসেই সান ফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন গেট পার্কে তিন রাতের বিশেষ কনসার্টে উপস্থিত হন। এই অনুষ্ঠানটি তার সঙ্গীত ক্যারিয়ারের ৬০ বছর পূর্ণ করার উদযাপন হিসেবে পরিকল্পিত ছিল এবং ভক্তদের জন্য স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে রইল।

পরিবারের বার্তায় ওয়েয়ারের শিল্পকর্মকে “আত্মার উষ্ণ সূর্যালোক” হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা বহু প্রজন্মের ভক্তের হৃদয়ে এক ধরনের পারিবারিক বন্ধন গড়ে তুলেছে। তার গাওয়া প্রতিটি সুর, গাওয়া প্রতিটি লাইন একটি গল্পের অংশ হয়ে রয়ে গেছে, যা শোনার মাধ্যমে মানুষকে অনুভব, প্রশ্ন, ঘুরে বেড়ানো ও অন্তর্ভুক্তির আমন্ত্রণ জানায়।

জেরি গার্সিয়া ১৯৯৫ সালে আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করার পর, ওয়েয়ার ডেড অ্যান্ড কোম্পানি, ফিল লেশ অ্যান্ড ফ্রেন্ডস, ফারদার, র্যাট ডগ এবং উলফ ব্রোসসহ বিভিন্ন ব্যান্ডের নেতৃত্বে গ্রেটফুল ডেডের উত্তরাধিকারকে ধারাবাহিকভাবে বজায় রেখেছেন। তার নেতৃত্বে ব্যান্ডগুলো নতুন প্রজন্মের শোনার জন্য সঙ্গীতের সীমানা প্রসারিত করেছে।

২০১৪ সালে একটি সাক্ষাৎকারে ওয়েয়ার স্বীকার করেন যে তিনি মাঝে মাঝে সাইকেডেলিক পদার্থ ব্যবহার করেন, তবে তা সীমিত পরিমাণে এবং প্রায়ই বন্ধুরা যখন একসাথে ব্যবহার করতে চায় তখনই অংশ নেন। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধরনের ব্যবহার কমে এসেছে।

বব ওয়েয়ার ও গিটারিস্ট জেরি গার্সিয়া ১৯৬৫ সালে রন “পিগপেন” ম্যাককর্নান, ফিল লেশ এবং বিল ক্রয়টজমানের সঙ্গে গ্রেটফুল ডেড গঠন করেন। এই দলটি সাইকেডেলিক রক, ফোক এবং ব্লুজের মিশ্রণে একটি অনন্য সাউন্ড তৈরি করে, যা পরবর্তী দশকগুলোতে সঙ্গীতের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে।

ওয়েয়ার গানের রচনা ও গায়িকায়ও সক্রিয় ছিলেন; তার সৃষ্টিতে “শুগার ম্যাগনোলিয়া”, “প্লেয়িং ইন দ্য ব্যান্ড”, “ট্রাকিন'”, “থ্রোয়িং স্টোনস”, “লেট ইট গ্রো”, “আই নিড এ মিরাকল”, “ওয়ান মোর স্যাটারডে নাইট”, “লেট ইট রেইন”, “মেক্সিকালি ব্লুজ”, “হেল ইন এ বাকেট”, “ক্যাসিডি” এবং “দ্য আদার ওয়ান” ইত্যাদি জনপ্রিয় গানের অন্তর্ভুক্ত। এই গানগুলো গ্রেটফুল ডেডের কনসার্টে প্রায়শই পরিবেশিত হয়ে ভক্তদের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলেছে।

বব ওয়েয়ারের মৃত্যু সঙ্গীত জগতের জন্য একটি বড় ক্ষতি, তবে তার সৃষ্টিকর্ম ও পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি যে সুরের ঐতিহ্য গড়ে তুলেছেন, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তার অবদানকে স্মরণ করে সারা বিশ্বে ভক্তরা তার সঙ্গীতকে আবারও শোনার এবং ভাগ করার প্রতিজ্ঞা করেছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Music
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments