সেল্টিক কেল্টিক পার্কে ডানডি ইউনাইটেডকে ৪-০ পরাজিত করে, মার্টিন ও’নিলের দায়িত্বে ফিরে আসা প্রথম ম্যাচে দলটি পরিষ্কার শট বজায় রাখে। এই জয়টি ক্লাবের এই সিজনের সর্বোচ্চ জয়ের সমান এবং লিগে তাদের শীর্ষে অবস্থানকে শক্তিশালী করে।
প্রথমার্ধে মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে দুইটি গোলের মাধ্যমে সেল্টিকের আক্রমণ ত্বরান্বিত হয়। ইয়াং হিউন-জুন দ্রুত গোল করে, এরপর আর্নে এঙ্গেলসের সমান সময়ে গোল করে স্কোরকে ২-০ করে তুলেছে। এই দ্রুত দু’গোল সেল্টিককে ম্যাচের প্রবাহে নিয়ন্ত্রণ দেয়।
সাবস্টিটিউট বেনজামিন নাইগ্রেনও দলের পয়েন্টে যোগ করেন, তার ১১তম সিজনাল গোলটি ম্যাচের তৃতীয় গোল হিসেবে রেকর্ড হয়। নাইগ্রেনের গোলটি সেল্টিকের আক্রমণকে আরও দৃঢ় করে এবং ডানডি ইউনাইটেডের প্রতিরক্ষা দুর্বল করে।
দ্যূতীয় গোলটি দাইজেন মায়েডা নেন, রিবাউন্ড থেকে শুট করে স্কোরকে ৪-০ করে শেষ করেন। মায়েডার গোলটি সেল্টিকের সর্বোচ্চ জয়ের সমান করে, যা ক্লাবের এই মৌসুমের দুটি ৪-০ জয়ের মধ্যে একটি।
ও’নিলের তত্ত্বাবধানে সেল্টিকের পারফরম্যান্স উল্লেখযোগ্য; তার ক্যারেটেকার সময়ে আটটি ম্যাচের মধ্যে সাতটি জয় অর্জিত হয়েছে। দলটি ৭৮% বলের মালিকানা বজায় রেখেছে এবং ২২টি শট নেয়, যা প্রতিপক্ষের তুলনায় অনেক বেশি।
ডানডি ইউনাইটেডের শট সংখ্যা মাত্র তিনটি, যা সেল্টিকের আক্রমণাত্মক আধিপত্যকে স্পষ্ট করে। উইলফ্রেড ন্যান্সির সময়ে ডানডি ইউনাইটেড গড়ে ১২টি শট নেয়, আর চার সপ্তাহ আগে ট্যানাডাইসে সেল্টিককে ২-১ দিয়ে পরাজিত করার সময় ১৭টি শট নেয়।
একই ম্যাচদিবসে হিবার্নিয়ান ও মাদারওয়েল ১-১ ড্র করে। কিয়েরন বাওয়িরের গোল মাদারওয়েলের তাওয়ান্ডা মাসওয়ানহিসের ১৫তম গোলের পর ৬৯তম মিনিটে সমান করে। উভয় দলই প্রথমার্ধে ধীর গতি দেখিয়ে, দ্বিতীয়ার্ধে স্কোরে পরিবর্তন এনেছে।
মাদারওয়েলের তাওয়ান্ডা মাসওয়ানহিস ৫২তম মিনিটে দ্রুত কনট্রা-আক্রমণে গোল করে, যা তার সিজনের ১৫তম গোল। বাওয়িরের সমান গোলটি ছয় গজের কাছাকাছি দূরত্ব থেকে করা হয়, যা ম্যাচের উত্তেজনা বাড়ায়।
ফাল্কির্ক স্ট মিরেনকে ২-০ দিয়ে পরাজিত করে, স্ট মিরেনের তৃতীয় পরপর পরাজয় নিশ্চিত হয়। এই জয়টি ফাল্কির্কের শীর্ষ ছয় দলের মধ্যে অবস্থানকে শক্তিশালী করে এবং তাদের শিরোপা লড়াইয়ে আত্মবিশ্বাস যোগায়।
ফিন ইয়েটস ২৫ গজ দূর থেকে চমৎকার কার্লিং শট দিয়ে প্রথম গোল করেন, এরপর ক্যালভিন মিলার ছয় মিনিট পর দ্বিতীয় গোল করে স্কোরকে নিশ্চিত করে। উভয় গোলই ফাল্কির্কের আক্রমণকে দৃঢ় করে এবং স্ট মিরেনের প্রতিরক্ষা ব্যর্থতা প্রকাশ করে।
নিল ম্যাকক্যানের কিলমার্নক দায়িত্বে প্রথম ম্যাচে লিভিংস্টনকে ১-১ ড্র দিয়ে শেষ করে। লিভিংস্টন প্রথমার্ধের শেষের দিকে কনর ম্যাকলেনানকে গোলের মাধ্যমে এগিয়ে যায়, তবে ম্যাচের শেষের দিকে মার্কাস ড্যাকার্স সমান করে।
কনর ম্যাকলেনানের গোলটি হাফটাইমের ঠিক আগে হয়, যা লিভিংস্টনের অগ্রগতি বাড়ায়। তবে ড্যাকার্সের সমান গোলটি ২০ মিনিট বাকি থাকাকালীন সময়ে আসে, যা কিলমার্নককে পয়েন্ট রক্ষা করতে সাহায্য করে।
পরবর্তী সপ্তাহে হার্টস ডানডিতে যাবে, আর এবার্ডিন হোস্ট করবে রেঞ্জার্সকে। রেঞ্জার্স ইতিমধ্যে মঙ্গলবার ইব্রোক্সে ডনসকে ২-০ দিয়ে পরাজিত করেছে, যা তাদের শিরোপা লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয়।
সারসংক্ষেপে, সেল্টিকের বিশাল জয়, হিবার্নিয়ান ও মাদারওয়েলের সমান স্কোর, ফাল্কির্কের জয় এবং কিলমার্নকের পয়েন্ট রক্ষা—all এই ফলাফলগুলো স্কটিশ প্রিমিয়ারশিপের শীর্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়িয়ে তুলেছে।



