হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এফএ কাপের শেষ রাউন্ডে সানডারল্যান্ড ১-১ সমতার পর পেনাল্টি শুটআউটে এভারটনকে পরাজিত করে টুর্নামেন্টে অগ্রসর হয়েছে। ম্যাচের নিয়মিত সময়ে সানডারল্যান্ডের এনজো লে ফে প্রথম গোল করে, যা দলকে প্রাথমিক সুবিধা দেয়। মাঝখানে এডাম আজনু ও ট্রাই হিউমের সংঘর্ষে পাওয়া পেনাল্টি গ্যাবার্নের হাতে শেষ হয়ে ১-১ স্কোরে সমাপ্তি হয়।
পেনাল্টি শুটআউটে লে ফে সফলভাবে তার শটকে গন্তব্যে পাঠায়, তবে গ্যাবার্নের শট লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়। এভারটনের থিয়ের্নো ব্যারি ও বেটো দুজনেই শুটআউটে ব্যর্থ হন, আর লুক ও’নিয়েন শেষ শটটি সফল করে সানডারল্যান্ডকে জয়ী ঘোষণা করে। এফএ কাপের এই রাউন্ডে সানডারল্যান্ডের সব পেনাল্টি নেওয়া খেলোয়াড়ই সফল হয়েছে, যেখানে এভারটনের সব শুটারই ব্যর্থ হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রিমিয়ার লিগের উলভস শ্রুয়েবেরিকে ৬-১ বড় পার্থক্যে পরাজিত করে বড় সাফল্য অর্জন করে। রোব এডওয়ার্ডসের তত্ত্বাবধানে দলটি শুরুর থেকেই আধিপত্য বজায় রাখে, প্রথমার্ধে দুই গোলের সুবিধা নেয়। জোন আরিয়াস দ্বিতীয় গোলের মাধ্যমে দলকে ২-০ করে তোলেন, যখন শ্রুয়েবেরির জন মারকুইস পেনাল্টি থেকে একমাত্র গোল করেন।
উলভসের ড্যানিশ ফরোয়ার্ড জর্গেন স্ট্র্যান্ড লারসেন ম্যাচে হ্যাট-ট্রিক করেন, যা তার ১৩ ম্যাচের গোলহীনতা শেষ করে। প্রথম গোলের পর তিনি দুইটি অতিরিক্ত গোল যোগ করেন, ফলে দলের স্কোর দ্রুত বাড়ে। শেষের দিকে রড্রিগো গোমেস ও তোলু আরোকোডারে অতিরিক্ত দুটো গোল করে ফলাফলকে ৬-১ করে চূড়ান্ত করেন। এই জয় উলভসকে প্রিমিয়ার লিগের উদ্বেগ থেকে সাময়িক মুক্তি দেয়।
লেস্টার সিটি চেল্টনহ্যামকে ২-০ স্কোরে পরাজিত করে সম্ভাব্য শক এড়িয়ে যায়। প্যাটসন ডাকা প্রথমার্ধে একক গোল করেন, আর স্টেফি মাভিদি হাফটাইমে সমান করে দলকে দু’গোলে এগিয়ে নিয়ে যায়। চেল্টনহ্যাম লিগ টু-তে ১৮তম স্থানে রয়েছে, ফলে লেস্টার সিটির এই জয় তাদের টুর্নামেন্টে অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এই তিনটি ম্যাচের ফলাফল এফএ কাপের পরবর্তী রাউন্ডের সূচি নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে। সানডারল্যান্ডের জয় তাদেরকে পরবর্তী রাউন্ডে নতুন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি করবে, উলভসের বিশাল জয় দলকে আত্মবিশ্বাসে ভরিয়ে তুলবে, আর লেস্টার সিটি তাদের পরবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে মুখোমুখি হবে।
সারসংক্ষেপে, সানডারল্যান্ডের পেনাল্টি শুটআউট জয়, উলভসের হ্যাট-ট্রিক পারফরম্যান্স এবং লেস্টার সিটির নিয়ন্ত্রণমূলক জয় এফএ কাপের এই রাউন্ডকে রোমাঞ্চকর করে তুলেছে। প্রতিটি দলই তাদের পরবর্তী চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে নতুন ম্যাচের ফলাফল টুর্নামেন্টের গতি নির্ধারণ করবে।



