22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিজ্ঞাননাসা আর্টেমিস ২ মিশনের শেষ প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য লঞ্চ তারিখ নির্ধারণ

নাসা আর্টেমিস ২ মিশনের শেষ প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য লঞ্চ তারিখ নির্ধারণ

নাসা আর্টেমিস ২ মিশনের লঞ্চের সম্ভাব্য তারিখ এবং শেষ প্রস্তুতি সম্পর্কে আজ নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। চন্দ্রের দিকে প্রথম মানববাহী যাত্রা ২০২৬ সালের শুরুর দিকে নির্ধারিত, এবং প্রস্তুতি কাজগুলো এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

২০২৪ সালে আর্টেমিস ২কে এপ্রিল ২০২৬ে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, রকেটটি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে, বিশেষ করে ৬ ফেব্রুয়ারি তারিখে উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে।

নাসা লঞ্চের সর্বোচ্চ সীমা জানিয়েছে যে, ১৭ জানুয়ারি থেকে আগে কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হবে না। প্রকৃত লঞ্চের দিনটি আবহাওয়া এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধানের প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভরশীল।

এই পর্যায়ে স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (SLS) রকেট এবং অরিয়ন মহাকাশযানকে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাডে সরিয়ে নেওয়া হবে। রোলআউট কাজটি কেসি বিল্ডিং থেকে লঞ্চ প্যাড ৩৯বি পর্যন্ত সম্পন্ন হবে।

রকেট ও মহাকাশযানের মোট দূরত্ব প্রায় চার মাইল, যা সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ বারো ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এই সময়সূচি নিরাপত্তা এবং সরঞ্জামের সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য নির্ধারিত।

লঞ্চ প্যাড ৩৯বি নাসার সবচেয়ে বড় উৎক্ষেপণ সুবিধা, যেখানে অতীতের অ্যাপোলো মিশনও পরিচালিত হয়েছে। এখানে SLS রকেটের শেষ সমন্বয় এবং চূড়ান্ত পরীক্ষা করা হবে।

আর্টেমিস ২ মিশনে মোট চারজন মহাকাশচারী অংশ নেবে, এবং মিশনের মোট সময়কাল দশ দিন নির্ধারিত। এই সময়ে তারা অরিয়নের জীবন সমর্থন ব্যবস্থা পরীক্ষা করবে।

মহাকাশযানের গুরুত্বপূর্ণ জীবন সমর্থন সিস্টেমের কার্যকারিতা যাচাই করা এই মিশনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদী চন্দ্র এবং মঙ্গল মিশনের জন্য এই ডেটা অপরিহার্য।

প্রথমে মহাকাশযান পৃথিবীর চারপাশে দু’বার ঘুরে, তারপর চন্দ্রের পেছনের দিকে ৪,৭০০ মাইল দূরে প্রবেশ করবে। এই পথ অনুসরণে ক্রুকে চন্দ্রের অন্ধকার দিকের দৃশ্য দেখার সুযোগ হবে।

যদি রোলআউট পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন হয়, নাসা জানুয়ারির শেষ দিকে একটি ‘ওয়েট ড্রেস রিহার্সাল’ পরিচালনা করবে। এই অনুশীলনে রকেটের ক্রায়োজেনিক জ্বালানি পূর্ণ করে পূর্ণ লঞ্চ কাউন্টডাউন করা হবে।

ওয়েট ড্রেস রিহার্সালে রকেটের ট্যাঙ্কে তরল হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন ভরাট করা হবে, এবং লঞ্চের পূর্বে সব সিস্টেমের সমন্বয় পরীক্ষা করা হবে। এই ধাপটি বাস্তব লঞ্চের আগে সম্ভাব্য ত্রুটি শনাক্ত করতে সহায়ক।

আবহাওয়া পরিস্থিতি, বিশেষ করে বাতাসের গতি ও বৃষ্টিপাত, লঞ্চের সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারে। এছাড়া কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যার উদ্ভব হলে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হতে পারে।

আর্টেমিস ২ চন্দ্রে মানববাহী মিশনের প্রথম পদক্ষেপ, যা ১৯৭২ সালের অ্যাপোলো ১৭ মিশনের পর ৫৪ বছর পর ঘটবে। এই ঐতিহাসিক মিশন নাসার দীর্ঘমেয়াদী চন্দ্র অনুসন্ধান পরিকল্পনার মূল স্তম্ভ।

প্রস্তুতি কাজগুলো দ্রুত অগ্রসর হওয়ায়, আগামী মাসগুলোতে লঞ্চের সুনির্দিষ্ট তারিখ নিশ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাঠকরা কি এই মিশনের ফলাফলকে ভবিষ্যৎ মহাকাশ অনুসন্ধানের ভিত্তি হিসেবে দেখবেন?

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Engadget
খবরিয়া প্রতিবেদক
খবরিয়া প্রতিবেদক
AI Powered by NewsForge (https://newsforge.news)
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments