19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইলেকশন কমিশন প্রথম শুনানিতে ৫২টি আপিল অনুমোদন, ১৫টি প্রত্যাখ্যান

ইলেকশন কমিশন প্রথম শুনানিতে ৫২টি আপিল অনুমোদন, ১৫টি প্রত্যাখ্যান

ইলেকশন কমিশন (ইসিসি) আজ ঢাকা, আগারগাঁও‑এর ইসিসি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম শুনানিতে ১৩তম জাতীয় সংসদীয় নির্বাচনের জন্য জমা দেওয়া প্রার্থীর নামের আবেদনপত্র সংক্রান্ত ৭০টি আপিলের মধ্যে ৫২টি অনুমোদন করেছে। একই সময়ে ১৫টি আপিল প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং তিনটি আপিল স্থগিত রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তগুলো নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শুনানির সময়সূচি সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চলেছে এবং এতে প্রার্থীদের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ইসিসি সিনিয়র সেক্রেটারি আকতার আহমেদ এই বিষয়ে জানিয়েছেন যে, আজ পর্যন্ত জমা হওয়া প্রথম ব্যাচের আপিলগুলো শোনা হয়েছে এবং পরবর্তী ব্যাচের শুনানি আগামীকাল থেকে শুরু হবে।

আকতার আহমেদ আরও উল্লেখ করেছেন যে, স্থগিত রাখা তিনটি আপিলের মধ্যে একটি আগামীকাল শোনা হবে, আর বাকি দুইটি ১৬ জানুয়ারি নির্ধারিত হয়েছে। এভাবে আপিলের সমাধান ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে যাতে প্রার্থীদের নামের তালিকা চূড়ান্ত করা যায়।

প্রথম দিনের শুনানিতে মোট ৭০টি আপিলের মধ্যে ৫২টি অনুমোদন পেয়ে প্রার্থীরা তাদের নামের তালিকায় পুনরায় অন্তর্ভুক্তির আশা করতে পারবে। অন্যদিকে, ১৫টি প্রত্যাখ্যাত আপিলের ফলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়বে। স্থগিত রাখা আপিলগুলো পরবর্তী শুনানিতে পুনরায় বিবেচিত হবে।

ইসিসি জানিয়েছে যে, ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৬৪৫টি আপিল দাখিল করা হয়েছে। এই আপিলগুলো রিটার্নিং অফিসারদের নামের আবেদনপত্র যাচাইয়ের সময় নেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে। আপিলের বিষয়বস্তু মূলত আবেদনপত্রের পূর্ণতা, প্রয়োজনীয় নথিপত্রের যথার্থতা এবং নির্বাচনী বিধির প্রয়োগের সঠিকতা নিয়ে।

শুনানির কাজ আজ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে বলে ইসিসি জানিয়েছে। প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে প্রায় ২৮০টি প্রার্থীর আপিল শোনা হবে। এই ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করবে যে, সকল আপিল যথাযথ সময়ে বিবেচনা করা হবে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় থাকবে।

ইসিসি আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত এই রকম শিডিউল বজায় রাখবে এবং প্রত্যেক দিনের শেষ পর্যন্ত শোনা আপিলের ফলাফল প্রকাশ করবে। এভাবে নির্বাচনের পূর্ব প্রস্তুতি দ্রুততর হবে এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার সময়সীমা বজায় থাকবে।

প্রার্থীদের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, অনুমোদিত আপিলের ফলে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন, আর প্রত্যাখ্যাত আপিলের ফলে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী লড়াই থেকে বাদ পড়বেন। স্থগিত আপিলের ফলাফলও পরবর্তী দিনগুলোতে রাজনৈতিক গতি পরিবর্তন করতে পারে।

ইসিসি এই শুনানির মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আইনগত ভিত্তি শক্তিশালী করতে চায় এবং সকল প্রার্থীর সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সচেষ্ট। আপিলের দ্রুত সমাধান নির্বাচনের সময়সূচি মেনে চলার জন্য অপরিহার্য বলে কর্তৃপক্ষ জোর দিয়েছে।

প্রথম দিনের ফলাফল অনুযায়ী, ইসিসি আগামী সপ্তাহে আরও দুইটি শুনানি সেশন পরিচালনা করবে। এতে মোট ২৮০টি প্রার্থীর আপিল শোনা হবে এবং বাকি আপিলগুলো পরবর্তী দিনগুলোতে সমাধান করা হবে।

শুনানির ধারাবাহিকতা এবং সময়মত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচনের প্রস্তুতি দ্রুততর হবে এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার সময়সীমা মেনে চলা সম্ভব হবে। ইসিসি এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বচ্ছতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চায়।

সামগ্রিকভাবে, ইসিসি প্রথম শুনানিতে ৫২টি আপিল অনুমোদন, ১৫টি প্রত্যাখ্যান এবং ৩টি স্থগিত রেখে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে। পরবর্তী দিনগুলোতে বাকি আপিলের সমাধান এবং চূড়ান্ত নামের তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments