শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তনে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের সূচনা করেন। অনুষ্ঠানটি দেশের চলচ্চিত্র সংস্কৃতির নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে পরিচালিত হয় এবং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের সঙ্গে স্থানীয় শিল্পীর সংযোগ স্থাপনকে লক্ষ্য করে।
রিজওয়ানা হাসান উল্লেখ করেন, ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে চলচ্চিত্রের প্রতি গভীর আগ্রহ বিদ্যমান। তিনি বলেন, এই শহরগুলোর বাসিন্দারা সিনেমা দেখার জন্য উন্মুক্ত এবং তাদের মধ্যে সমৃদ্ধ দর্শকগোষ্ঠী গড়ে তুলতে সময় এসেছে। স্থানীয় দর্শকদের উচ্ছ্বাস এবং সক্রিয় অংশগ্রহণের উদাহরণগুলো এই কথাকে সমর্থন করে।
এছাড়া তিনি আগামী বছর থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবকে দেশের বিভিন্ন বিভাগে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করার আহ্বান জানান। তার মতে, জাতীয় পর্যায়ে চলচ্চিত্রের প্রবেশদ্বার বিস্তৃত হলে স্থানীয় শিল্পী ও দর্শকের মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ শক্তিশালী হবে। এই উদ্যোগটি অঞ্চলভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে এবং স্থানীয় শিল্পের বিকাশে সহায়তা করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি জাতীয় জাদুঘরের প্রধান লনে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক দল পারফরম্যান্স উপস্থাপন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের মধ্যে শিল্প ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের প্রতিনিধিরা ছিলেন, যা অনুষ্ঠানের মর্যাদা বাড়িয়ে তুলেছে।
উৎসবের স্লোগান “নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ”কে ভিত্তি করে রেইনবো ফিল্ম সোসাইটিজের তত্ত্বাবধানে নয় দিনব্যাপী প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। এই স্লোগানটি চলচ্চিত্রের শিল্পমূল্য এবং সমাজের উন্নয়নের সঙ্গে তার সম্পর্ককে তুলে ধরে, যা দর্শকদের মধ্যে চিন্তাশীলতা ও সাংস্কৃতিক সচেতনতা জাগ্রত করে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থিয়েট্রিক্যাল কোম্পানি এবং জলতরঙ্গ গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দর্শকদের মনোমুগ্ধ করে। ঐ পরিবেশনা চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন শিল্পের সমন্বয়কে প্রকাশ করে, যা দর্শকদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা জাগায়। উপস্থিত দর্শকরা এই পারফরম্যান্সকে উচ্ছ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করেন।
উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল স্বাগত বক্তব্য দিয়ে অনুষ্ঠানকে সূচনায় আনেন। তিনি চলচ্চিত্র শিল্পের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন, পাশাপাশি পরবর্তী দিনের প্রোগ্রাম সূচি উপস্থাপন করেন।
রিজওয়ানা হাসান কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত পরিকল্পনার প্রশংসা করে পরিবেশ সুরক্ষার জন্য প্লাস্টিকজাত পণ্য



