19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধজামালপুর কারাগারে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত সুলতান শেখের মৃত্যু

জামালপুর কারাগারে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত সুলতান শেখের মৃত্যু

জামালপুর জেলা কারাগারে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত সুলতান শেখ (বয়স ৪০) ১০ জানুয়ারি শনিবার সকালে হঠাৎ শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। শিকারের সময় তিনি জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে উপস্থিত চিকিৎসক তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

সুলতান শেখের অপরাধমূলক রেকর্ড মাদক সংক্রান্ত এবং তিনি ইসলামপুর উপজেলার নটারকান্দা গ্রাম থেকে চটকু শেখের পুত্র হিসেবে পরিচিত। ২০২৪ সালের শেষের দিকে মাদক মামলায় দুই বছরের সাজা পেয়ে তিনি ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে কারাবন্দী ছিলেন এবং তখন থেকে জামালপুর জেলায়ই আটক ছিলেন।

কারাগারে শাসনকালে তিনি কোনো শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে দায়ী না থাকলেও শীতের তীব্র ঠাণ্ডা এবং শ্বাসযন্ত্রের সমস্যার সম্মুখীন হওয়ায় তার স্বাস্থ্যের অবনতি দ্রুত ঘটতে থাকে। শিকারের পূর্বে শিকারের তীব্র শীতের কারণে শ্বাসকষ্ট বাড়ে বলে জানা যায় এবং তৎক্ষণাত্ জরুরি সেবা প্রদান করা হয়।

শিকারের সময় সুলতানকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে উপস্থিত চিকিৎসক শ্বাসকষ্টের তীব্রতা এবং শীতজনিত শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান। পরীক্ষার ফলাফল এবং শারীরিক লক্ষণগুলোকে ভিত্তি করে চিকিৎসক শিকারের মুহূর্তেই তার মৃত্যু ঘোষণা করেন।

কারাগার কর্তৃপক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমতিয়াজ জাকারিয়া শিকারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে, মৃতদেহের ওপর ময়নাতদন্ত করা হবে এবং আইনি প্রক্রিয়ার অধীনে পরিবারকে হস্তান্তর করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ময়নাতদন্তের ফলাফল শিকারের সঠিক কারণ নির্ধারণে সহায়তা করবে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত তদন্তের দিকনির্দেশনা দেবে।

ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহের হস্তান্তর প্রক্রিয়া বাংলাদেশী ফৌজদারি আইন অনুযায়ী সম্পন্ন হবে, যেখানে দেহকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার আগে যথাযথ নথিপত্র এবং আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন। এই প্রক্রিয়ার সময় শিকারের পরিবারের অধিকার এবং শোকের সময়কালকে সম্মান করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিশ্রুতি প্রকাশ পেয়েছে।

শিকারের পরবর্তী তদন্তের দায়িত্ব কারাগার ব্যবস্থাপনা ও স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপর থাকবে। তারা শিকারের কারণ, কারাগারের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এবং শিকারের পূর্বে কোনো সতর্কতা বা চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছিল কিনা তা বিশদভাবে পর্যালোচনা করবে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের জন্য কারাগারের রেকর্ড, চিকিৎসা নথি এবং শিকারের সময়ের ভিডিও রেকর্ডিংসহ অন্যান্য প্রমাণাদি ব্যবহার করা হবে।

শিকারের ঘটনা স্থানীয় সমাজে শোকের ছায়া ফেলেছে এবং কারাগারের ভিতরে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শিকারের কারণ এবং ভবিষ্যতে এধরনের ঘটনা রোধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা জানার প্রত্যাশা রয়েছে।

এই শিকারের পরিপ্রেক্ষিতে, আইনগত প্রক্রিয়া এবং ময়নাতদন্তের ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারকে যথাযথ সহায়তা প্রদান করা হবে এবং শিকারের ঘটনার সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ তদন্ত চালিয়ে যাওয়া হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments