মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতর ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারিত মাদ্রাসার সঠিক নাম, সংখ্যা এবং ঠিকানা জরুরি ভাবে চেয়েছে, যাতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা যায়। এই উদ্যোগের লক্ষ্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট সব উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তালিকাটি ই-মেইলের মাধ্যমে অধিদফতরে পাঠাবে। জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি, এবং ই-মেইল ঠিকানা [email protected] নির্ধারিত।
এই নির্দেশনা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান মজুমদার স্বাক্ষরিত স্মারকে প্রকাশিত হয়েছে। স্মারকে পূর্বে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের একটি নোটিশের ধারাবাহিকতা হিসেবে একই বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
স্মারকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোটে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত মাদ্রাসাগুলোর তালিকা দ্রুত সংগ্রহ করা প্রয়োজন। তালিকায় মাদ্রাসার নাম, ব্যবহারের সংখ্যা এবং পূর্ণ ঠিকানা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
তালিকা সংগ্রহের পাশাপাশি, অধিদফতর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদেরকেও একই স্মারকের একটি কপি পাঠিয়ে সমন্বয় নিশ্চিত করেছে। এভাবে জেলা পর্যায়ে তদারকি ও সহায়তা সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই পদক্ষেপের পেছনে নির্বাচনের তফসিলের সময়সূচি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। প্রার্থীর প্রত্যাহার শেষ হবে ২০ জানুয়ারি, এবং পরের দিন রিটার্নিং কর্মকর্তারা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ প্রকাশ করবেন।
প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটায়। ভোটগ্রহণের সময় নির্ধারিত হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে সাতটায় থেকে বিকাল সাড়ে চারটায় পর্যন্ত।
সিসি ক্যামেরা স্থাপন নির্বাচনকালে কোনো অনিয়ম বা অস্বাভাবিক ঘটনার রেকর্ড রাখতে সহায়তা করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এ ধরনের প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বাড়াতে এবং ভোটারদের আত্মবিশ্বাস জোরদার করতে লক্ষ্য রাখে।
উল্লেখযোগ্য যে, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতর এই নির্দেশনা দ্রুত কার্যকর করার জন্য সকল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ত্বরিত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছে। তালিকা না পাঠালে ভোটকেন্দ্রের প্রস্তুতিতে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।
অধিদফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী, তালিকা প্রস্তুত করার সময় মাদ্রাসার শারীরিক অবস্থা, বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং ক্যামেরা স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় স্থানীয় অনুমতি বিবেচনা করা হবে।
এই উদ্যোগের ফলে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একটি নতুন স্তর যুক্ত হবে, যা নির্বাচনের ফলাফলের স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
অধিক তথ্যের জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরের অফিসে যোগাযোগ করা যেতে পারে, এবং তালিকা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে নিশ্চিতকরণ ই-মেইল পাঠানো হবে।



