19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধদিনাজপুরে সীমান্তে ৭৫৮ বোতল নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার

দিনাজপুরে সীমান্তে ৭৫৮ বোতল নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন ২৯‑বিজিবি’র অধীনস্থ কাটলা বিশেষ ক্যাম্প ও খানপুর সীমান্ত এলাকায় দুইটি পৃথক অভিযান চালায় এবং মোট ৭৫৮ বোতল নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক সিরাপ জব্দ করে। এই অভিযানটি শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) গভীর রাতে সম্পন্ন হয়।

অভিযানটি দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছিল; প্রথমটি বিরামপুর উপজেলার কাটলা বিশেষ ক্যাম্পে এবং দ্বিতীয়টি দিনাজপুর সদর উপজেলার খানপুর সীমান্তে পরিচালিত হয়। উভয় স্থানে চোরাচালান রোধে কঠোর নজরদারি বজায় রেখে নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নেয়।

অভিযানের ফলস্বরূপ মালিকবিহীন অবস্থায় ৭৫৮ বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার করা হয়। সংশ্লিষ্ট সিরাপের সিজার মূল্য ১,১৩,৭০০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এই ধরনের পদার্থের অবৈধ বাণিজ্য বাংলাদেশে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনের আওতায় শাস্তি নির্ধারিত।

বিএসজি (বর্ডার গার্ড) ২৯‑বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এম জাবের বিন জব্বার এই সফলতাকে সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে গৃহীত কঠোর পদক্ষেপের ফলাফল হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চালু থাকবে।

বিএসজি কর্তৃক গৃহীত এই পদক্ষেপগুলো দেশের সীমান্তে অবৈধ পণ্য প্রবাহ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে যৌন উত্তেজক সিরাপের মতো নিষিদ্ধ পণ্যগুলো গৃহস্থালী ও যুব সমাজে বিপদজনক প্রভাব ফেলতে পারে, তাই তাদের সরবরাহ বন্ধ করা জরুরি।

উদ্ধারকৃত সিরাপগুলো এখন সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার অধীন। নিরাপত্তা বাহিনীর রিপোর্ট অনুযায়ী, জব্দকৃত পণ্যগুলো ফরেনসিক বিশ্লেষণের জন্য প্রমাণশালায় পাঠানো হবে এবং যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযানের সময় কোনো সন্দেহভাজন গ্রেফতার করা হয়নি, তবে জব্দকৃত পণ্যের মালিকানা চিহ্নিত করার জন্য তদন্ত চালু রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী জানায়, চোরাচালান নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সনাক্ত করতে অতিরিক্ত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

বিএসজি ২৯‑বিজিবি ব্যাটালিয়ন পূর্বে সীমান্তে মাদক, অস্ত্র ও বিস্ফোরক পদার্থের জব্দে সফলতা অর্জন করেছে। এই ধারাবাহিকতা দেশের নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সীমান্তে অবৈধ পণ্য প্রবাহ রোধে গৃহীত এই ধরনের কঠোর পদক্ষেপগুলো স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং অবৈধ বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত অপরাধীদের দমন করে।

বিএসজি কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, সীমান্তে অবৈধ পণ্যের সঞ্চালন রোধে স্থানীয় পুলিশ, গ্রাম পরিষদ ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে। এই সমন্বিত প্রচেষ্টা ভবিষ্যতে আরও কার্যকরী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অভিযানের পর নিরাপত্তা বাহিনীর তদারকি দল জব্দকৃত পণ্যের সঠিক নথিভুক্তি নিশ্চিত করেছে এবং সিজার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

এই সফলতা দেশের সীমান্তে অবৈধ পণ্য প্রবাহ রোধে গৃহীত কৌশলগত পদক্ষেপের একটি উদাহরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ অভিযানগুলোকে উৎসাহিত করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments