20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাঅভিষেক বচ্চন ও অ্যানন্দ পাণ্ডিতের গিফট সিটি রিয়েল এস্টেট প্রকল্প শুরু

অভিষেক বচ্চন ও অ্যানন্দ পাণ্ডিতের গিফট সিটি রিয়েল এস্টেট প্রকল্প শুরু

মুম্বাইয়ের রিয়েল এস্টেট দিগন্তে নতুন এক উদ্যোগের সূচনা হয়েছে। অ্যানন্দ পাণ্ডিতের শ্রী লোটাস ডেভেলপারস অ্যান্ড রিয়েলটি লিমিটেড গিফট সিটি, গন্ধিনগরে একটি বৃহৎ আবাসিক‑বাণিজ্যিক প্রকল্প চালু করেছে, যেখানে অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে লাভ‑বণ্টন চুক্তি করা হয়েছে।

অ্যানন্দ পাণ্ডিত, যিনি চলচ্চিত্র উৎপাদন ও রিয়েল এস্টেট উভয় ক্ষেত্রেই স্বীকৃত, বচ্চন পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব বজায় রেখেছেন। তিনি পূর্বে প্রকাশ করেছেন যে, কোনো সিনেমা প্রকল্পের কথা ভাবতে গিয়ে তিনি অমিতাভ বচ্চনকে বাদ দিতে পারেন না।

পাণ্ডিতের শ্রী লোটাসের সঙ্গে অভিষেকের সহযোগিতা প্রথমবারের মতো বড় স্কেলের রিয়েল এস্টেট প্রকল্পে দেখা যাচ্ছে। দুজনই পূর্বে OTT সিরিজ “দ্য বিগ বুল”-এ একসাথে কাজ করেছেন, যা দুজনের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে দৃঢ় করেছে।

শ্রী লোটাস ডেভেলপারস অ্যান্ড রিয়েলটি লিমিটেড মুম্বাইতে বিলাসবহুল আবাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পত্তি নির্মাণে পরিচিত। গিফট সিটি প্রকল্পটি কোম্পানির প্রথম গুজরাটে প্রবেশের সূচক, যেখানে প্রিমিয়াম রেসিডেন্স, গ্রেড‑এ অফিস ও রিটেইল স্পেস অন্তর্ভুক্ত হবে।

প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য হল অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে লাভ‑বণ্টন ব্যবস্থা। পাণ্ডিতের মতে, এই ভূমি প্রায় পনেরো বছর আগে অমিতাভ বচ্চন ক্রয় করেছিলেন, যা এখন নতুন উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

প্রকল্পটি শ্রী লোটাসের সাবসিডিয়ারি রাইজ রুট প্রোজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। রাইজ রুট প্রোজেক্টস এবং অভিষেকের মধ্যে একটি ডেভেলপমেন্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষের লাভের ভাগ নির্ধারিত হয়েছে।

মোট নির্মাণ ক্ষেত্রের পরিমাণ এক মিলিয়ন বর্গফুটের বেশি, যা গিফট সিটির সর্বোচ্চ মানের রিয়েল এস্টেট প্রকল্পের মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত। এই প্রকল্পে অভিষেকের প্রথম রিয়েল এস্টেট উদ্যোগের চিহ্ন রয়েছে, যা তার ব্যবসায়িক পোর্টফোলিওকে বৈচিত্র্যপূর্ণ করবে।

পাণ্ডিত উল্লেখ করেছেন, গিফট সিটিতে কৌশলগতভাবে প্রবেশ করা এবং অভিষেকের সৃজনশীল ও ব্যবসায়িক বুদ্ধিমত্তা একত্রিত করা কোম্পানির বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশাবাদী যে, এই সহযোগিতা উচ্চ সম্ভাবনাময় রিয়েল এস্টেট বাজারে শ্রী লোটাসের উপস্থিতি শক্তিশালী করবে।

প্রকল্পের লক্ষ্য হল আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ফিনটেক কোম্পানি এবং আইটি/আইটিইএস সেক্টরের বাড়তে থাকা চাহিদা পূরণ করা। গিফট সিটি ইতিমধ্যে একটি আর্থিক ও প্রযুক্তি হাব হিসেবে পরিচিত, তাই প্রিমিয়াম অফিস ও রিটেইল স্পেসের চাহিদা প্রত্যাশিত।

শ্রী লোটাসের দ্রুত সম্পন্ন করার রেকর্ড এবং পাণ্ডিতের কার্যকরী সক্ষমতা প্রকল্পের সময়সীমা চার বছর নির্ধারণ করেছে। এই সময়সীমা সম্পন্ন হলে গিফট সিটিতে নতুন কর্মসংস্থান ও ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডেভেলপমেন্ট চুক্তি এ.বি.সিএল-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজেশ যাদবের স্বাক্ষরে নিবন্ধিত হয়েছে, যা আইনি দিক থেকে প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।

বাজার বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, গিফট সিটিতে রিয়েল এস্টেটের এই বড় প্রবেশ নতুন বিনিয়োগের ঢেউ তুলতে পারে এবং মুম্বাই-গুজরাটের মধ্যে ব্যবসায়িক সংযোগকে আরও মজবুত করবে। একই সঙ্গে, চলচ্চিত্র শিল্পের ব্যক্তিত্বদের রিয়েল এস্টেটে অংশগ্রহণ ব্র্যান্ডের দৃশ্যমানতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

তবে, রিয়েল এস্টেটের চাহিদা পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রক নীতি ও অর্থনৈতিক মন্দা প্রকল্পের রিটার্নে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই শ্রী লোটাসকে বাজারের পরিবর্তনশীলতা পর্যবেক্ষণ করে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।

সারসংক্ষেপে, গিফট সিটিতে শ্রী লোটাসের এই বৃহৎ প্রকল্প এবং অভিষেক বচ্চনের অংশগ্রহণ রিয়েল এস্টেট বাজারে নতুন গতিবিধি সৃষ্টি করবে, তবে সফলতা অর্জনের জন্য কৌশলগত পরিকল্পনা ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Bollywood Hungama
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments