বিপিএলের নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও রংপুর রাইডার্সের মুখোমুখি প্রথম গেমে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বোলার নাহিদ রানা ১৫১ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতি রেকর্ড করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। দলটি ব্যাটিংয়ে শক্তিশালী সূচনা করে, প্রথম দুই ওভারে ২৫ রান যোগায়।
নাহিদ রানা গতি মাপার যন্ত্রে ১৫১ কিমি/ঘণ্টা গতি দেখিয়ে বোলারদের মধ্যে নতুন রেকর্ড তৈরি করেন। তার দ্রুত ডেলিভারি রংপুরের শীর্ষ ব্যাটসম্যানদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করে, তবে শুরুর ওভারে তিনি কোনো উইকেট নিতে পারেননি।
মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম ওভারে প্রথম বলেই শুটিং করে শাহাদত হোসেনকে স্টাম্পে টেনে বোল্ড করেন। শাহাদত হোসেনের প্রথম বলেই আউট হওয়ায় নোয়াখালী এক্সপ্রেসের প্রথম উইকেট নিশ্চিত হয়।
শাহাদত হোসেন আট বলের মধ্যে ১৪ রান সংগ্রহ করেন, যার মধ্যে তিনটি চতুর্থি শট ছিল। তার দ্রুত আউট হওয়া সত্ত্বেও তিনি ৩টি ফোরের মাধ্যমে কিছুটা রিফ্লেকশন দেখিয়েছেন।
শাহাদত হোসেনের আউটের পর নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ব্যাটিং লাইনআপ দ্রুত রিফ্লেকশন দেখায়। শুরুর তিন ওভারে দলটি ৩০ রান করে এক উইকেটের সঙ্গে। এই গতি ও রিফ্লেকশন দলকে শক্তিশালী পাওয়ার প্লে অবস্থানে নিয়ে যায়।
সৌম্য সরকার ও হাবিবুর রহমানের সমন্বয়ে দলটি পাওয়ার প্লে পর্যায়ে ৬৬ রান যোগায়। সৌম্য ২৩ রান এবং হাবিবুর ২৯ রান করে ব্যাটিংয়ের মূল চালিকা শক্তি হয়ে ওঠে। উভয়ের আক্রমণাত্মক শটগুলো রিংপুরের বোলারদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বর্তমান স্কোর ৩ ওভারে ৩০/১, যা শুরুরে একটি স্থিতিশীল ভিত্তি গড়ে তুলেছে। শুরুরে এক উইকেটের সঙ্গে দলটি রিফ্লেকশন বজায় রাখে, এবং পরবর্তী ওভারগুলোতে আরও রানের সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্যে রয়েছে।
নতুন ব্যাটসম্যান হাবিবুর রহমান ও সৌম্য সরকারের অংশগ্রহণ দলকে অতিরিক্ত শক্তি যোগায়। উভয়ের স্বাভাবিক আক্রমণাত্মক শৈলী রিংপুরের বোলারদের জন্য অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে, ফলে রিফ্লেকশন বজায় থাকে।
রংপুরের পেসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর প্রথম ওভারে ১৪ রান দেওয়া হয়, যা শুরুরে রিফ্লেকশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তার দ্রুত ডেলিভারি সত্ত্বেও ব্যাটসম্যানরা তাকে সহজে চালাতে পারছেন না।
এরপর রংপুরের বামহাতি স্পিনার ইফতিখার আহমেদের ওভারে ১১ রান যোগ হয়। স্পিনারকে সামলাতে ব্যাটসম্যানদের দক্ষতা দেখা যায়, ফলে রিফ্লেকশন বজায় থাকে এবং রেসকিউয়ের সম্ভাবনা কমে যায়।
ম্যাচের পরবর্তী পর্যায়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কোচ দলকে বলছেন, শুরুরে অর্জিত রিফ্লেকশন বজায় রেখে মাঝের ওভারগুলোতে রানের গতি বাড়াতে হবে। বোলারদের গতি ও সঠিক লাইন বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে রিংপুরের ব্যাটসম্যানদের আক্রমণাত্মক শট সীমাবদ্ধ করা যায়।
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের পরবর্তী ম্যাচের সূচি এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে শুরুরে অর্জিত গতি ও রিফ্লেকশন দলকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। দলটি এই গতি বজায় রেখে টুর্নামেন্টে অগ্রসর হওয়ার লক্ষ্য রাখবে।



