ইরানে অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে চলমান প্রতিবাদে, সরকারকে সর্বোচ্চ সংযম বজায় রাখতে এবং প্রতিবাদকারীদের বৈধ অধিকারকে সম্মান করতে হবে, এ বিষয়ে শুক্রবার ফ্রান্সের একটি কূটনৈতিক সূত্রের মন্তব্য প্রকাশ পায়।
দেশব্যাপী দারিদ্র্য ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে অসন্তোষের ঢেউ তীব্রতর হওয়ায়, বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদী দলগুলো রাস্তায় নেমে এসেছে এবং কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
প্রতিবাদ চলাকালে কয়েকজন demonstrator নিহত হওয়ার খবরও প্রকাশ পেয়েছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
ইন্টারনেট সংযোগে ব্যাপক বাধা সৃষ্টির খবর বৃহস্পতিবারই নেটব্লকস নামক পর্যবেক্ষণ সংস্থা থেকে জানানো হয়; সংস্থার মতে, ইরানের পুরো দেশ জুড়ে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা হয়েছে, যা তথ্যপ্রবাহকে কঠিন করে তুলেছে।
ফরাসি সূত্র ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর এই পদক্ষেপকে নিন্দা করে এবং মৃতদের ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানায়, যাতে দায়িত্বশীলদের সঠিকভাবে দায়বদ্ধ করা যায়।
এছাড়া, সূত্রটি ইরানের আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসারে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সমাবেশের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং দেশের ওপর আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা পালন করার আহ্বান জানিয়েছে।
এই মন্তব্যের ফলে ইরানের অভ্যন্তরীণ নীতি ও বৈদেশিক সম্পর্কের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি হতে পারে; আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে বাড়তি নজরদারি ও সম্ভাব্য কূটনৈতিক পদক্ষেপের পূর্বাভাস দেখা যাচ্ছে।
ভবিষ্যতে, ইন্টারনেট সংযোগ পুনরুদ্ধার ও মৃতদের তদন্তের অগ্রগতি কীভাবে পরিচালিত হবে, তা ইরানের রাজনৈতিক পরিবেশের স্থিতিশীলতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অধিকন্তু, ফ্রান্সসহ অন্যান্য দেশের কূটনৈতিক সূত্রের এই ধরনের প্রকাশনা ইরানের মানবাধিকার রেকর্ডের ওপর আন্তর্জাতিক আলোচনার তীব্রতা বাড়াতে পারে এবং সম্ভাব্য অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার দিকে ইঙ্গিত করতে পারে।
প্রতিবাদকারীদের দাবি ও সরকারের প্রতিক্রিয়া উভয়ই আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে অনুসরণ করা হবে, যা ইরানের অভ্যন্তরীণ নীতি গঠনে নতুন দিকনির্দেশনা যোগ করতে পারে।



