সিরাজদিখান, মুন্সিগঞ্জের নীমতলা রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন ধাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ঢাকা-মুখী লেনে সকাল পাঁচটায় একটি বাস স্থির ট্রাকের পেছন থেকে আঘাত করে। বাসটি পুরবশা পারিবহন সংস্থার, এবং উচ্চ গতিতে চলার সময় ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এই দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তি তৎক্ষণাৎ মারা যায়, আর অন্তত পনেরোজন আহত হয়।
দুর্ঘটনা ঘটার সময় ট্রাকটি রাস্তায় থেমে ছিল, আর বাসটি দ্রুতগতিতে অগ্রসর হওয়ায় পেছন থেকে আঘাতের ফলে বাসের সামনের অংশ ভেঙে যায়। ভাঙা গাড়ির কাঠামো ভেতরের যাত্রীদের আটকে রাখে, ফলে তৎক্ষণাৎ উদ্ধার কাজের প্রয়োজন হয়।
স্মারক সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে আহতদের ত্রাণে কাজ শুরু করে। প্রথমে আহতদের স্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কিছুজনকে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ডিএমসিএইচ) এ রেফার করা হয়।
মৃতদেহের পরিচয় তৎক্ষণাৎ নির্ধারণ করা যায়নি; মৃতদেহটি হসরা হাইওয়ে পুলিশ স্টেশনে সংরক্ষণ করা হয়েছে। মৃতের পরিচয় জানার জন্য পরিবার ও আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর ট্রাফিক পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্ত শুরু করে। ট্রাফিক পুলিশ ও ফরেনসিক দল গাড়ির গতি, ব্রেকের অবস্থা এবং ট্রাকের স্থিতি যাচাই করছে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে যে বাসের চালক উচ্চ গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন, যা দুর্ঘটনার মূল কারণ হতে পারে।
দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তদন্তের ফলাফল আদালতে উপস্থাপন করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, দুর্ঘটনা ঘটার পর থেকে ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাপক অনুসন্ধান চালু রয়েছে।
এই ধরনের দুর্ঘটনা রোড সুরক্ষার গুরুত্বকে আবারও তুলে ধরছে। এক্সপ্রেসওয়ে-এ গতি সীমা মেনে চলা, স্থির গাড়ির পেছনে যথাযথ দূরত্ব বজায় রাখা এবং জরুরি অবস্থায় দ্রুত সাড়া দেওয়া জরুরি।
অধিক তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে আপডেট জানানো হবে। বর্তমানে মৃতদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া এবং আহতদের অবস্থা স্থিতিশীল করা প্রধান কাজ হিসেবে রয়ে গেছে।



