20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনপার্ক চ্যান‑উক ‘নো আদার চয়েস’ নিয়ে ‘অওয়ার্ডস চ্যাটার’ পডকাস্টে আলোচনার সারমর্ম

পার্ক চ্যান‑উক ‘নো আদার চয়েস’ নিয়ে ‘অওয়ার্ডস চ্যাটার’ পডকাস্টে আলোচনার সারমর্ম

বেভারলি হিলসের ফোর সিজনস হোটেলে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘অওয়ার্ডস চ্যাটার’ পডকাস্টে দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম স্বীকৃত চলচ্চিত্র নির্মাতা পার্ক চ্যান‑উককে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ৬২ বছর বয়সী পার্ক, ইন্টারপ্রেটার জিওন লি‑এর সহায়তায় নিজের কাজ ও শিল্প দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

পার্ক চ্যান‑উককে সমসাময়িক কোরিয়ান সিনেমার মুখমণ্ডল হিসেবে বিবেচনা করা হয়; তার চলচ্চিত্রগুলো আন্তর্জাতিক মঞ্চে কোরিয়ান সংস্কৃতির পরিচয় গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি ২০০০ সালে ‘জয়েন্ট সিকিউরিটি এরিয়া’, ২০০৩ সালে ‘ওল্ডবয়’, ২০১৬ সালে ‘দ্য হ্যান্ডমেডেন’, ২০২২ সালে ‘ডিসিশন টু লিভ’ এবং সর্বশেষে ২০২৫ সালে ‘নো আদার চয়েস’ সহ বহু স্বীকৃত কাজের স্রষ্টা।

‘নো আদার চয়েস’ একটি ড্রামেডি যা চাকরি হারিয়ে জীবনের স্বাভাবিক রুট থেকে বিচ্যুত হওয়া এক ব্যক্তির সংগ্রামকে কেন্দ্র করে। এই চলচ্চিত্রটি কোরিয়ার অস্কার প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি তিনটি গোল্ডেন গ্লোব নোমিনেশনও অর্জন করেছে।

পডকাস্টে পার্ক তার কাজকে প্রভাবিত করা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উপাদানগুলো নিয়ে কথা বলেন; বিশেষ করে সহিংসতার প্রতি তার আকর্ষণ কীভাবে সমাজের কাঠামো ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত হয়েছে তা বিশ্লেষণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রথম দুই চলচ্চিত্রের ব্যর্থতা থেকে শিখে পরবর্তী কাজগুলোতে তিনি গল্পের গঠন ও চরিত্রের গভীরতা বাড়াতে সক্ষম হয়েছেন।

‘জয়েন্ট সিকিউরিটি এরিয়া’ তার তৃতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে প্রকাশিত হওয়ার পর দ্রুত একটি সাংস্কৃতিক ঘটনা রূপ নেয়। এই ছবির সাফল্য তাকে ‘বিনাশ ত্রয়ী’ নামে পরিচিত সিরিজের ভিত্তি স্থাপন করতে সহায়তা করে, যেখানে ‘ওল্ডবয়’ ও ‘দ্য হ্যান্ডমেডেন’ অন্তর্ভুক্ত। এই ত্রয়ী কোরিয়ান সিনেমার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

পার্ক বিভিন্ন ধরণের ঘরানা ও প্রযুক্তি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে আগ্রহী। তিনি বলেন, নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে গল্পের পরিবেশকে আরও বাস্তবিক ও আকর্ষণীয় করা সম্ভব, যা দর্শকের অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করে। এই দৃষ্টিভঙ্গি তার সাম্প্রতিক কাজগুলোতে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

‘নো আদার চয়েস’ প্রকল্পে পার্ক ২৫ বছর পর ‘জয়েন্ট সিকিউরিটি এরিয়া’র প্রধান অভিনেতা লি বিউং‑হুনের সঙ্গে পুনরায় কাজ করার সুযোগ পান। দুইজনের এই পুনর্মিলন চলচ্চিত্রের গুণগত মানকে আরও উঁচুতে নিয়ে যায় এবং কোরিয়ান চলচ্চিত্রের ঐতিহ্যবাহী শক্তিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়।

‘নো আদার চয়েস’ কোরিয়ার অস্কার প্রবেশের জন্য সরকারীভাবে নির্বাচিত চলচ্চিত্র এবং একই সঙ্গে তিনটি গোল্ডেন গ্লোব নোমিনেশন পেয়েছে, যা পার্কের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির নতুন দিক উন্মোচন করে। এই স্বীকৃতি কোরিয়ান সিনেমার বৈশ্বিক বাজারে অবস্থানকে আরও দৃঢ় করে।

পডকাস্টের আলোচনায় পার্কের ক্যারিয়ারকে গঠনকারী মূল মুহূর্তগুলো—প্রথম ব্যর্থতা, ‘জয়েন্ট সিকিউরিটি এরিয়া’র সাফল্য, ‘বিনাশ ত্রয়ী’র গঠন এবং ‘নো আদার চয়েস’র আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি—একটি ধারাবাহিকতা হিসেবে উপস্থাপিত হয়। তিনি ভবিষ্যতে নতুন ঘরানা ও প্রযুক্তি অন্বেষণ করে কোরিয়ান চলচ্চিত্রকে বিশ্ব মঞ্চে আরও উঁচুতে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

এই সাক্ষাৎকার কোরিয়ান সিনেমার গ্লোবাল প্রভাব ও পার্ক চ্যান‑উকের শিল্পীসত্তার গভীর বিশ্লেষণ প্রদান করে, যা দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য একটি প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments