মার্টিন চিভার্স, ১৯৬৮ সালে সাউথাম্পটন থেকে টটনহ্যাম হটলেনে রেকর্ড ফি দিয়ে যোগদানকারী ফরোয়ার্ড, ক্লাবের লিগ ও ইউইফা কাপ জয়কে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার শারীরিক গঠন ও সূক্ষ্ম খেলাধুলার বোধ তাকে ‘হেভি হিট’ হিসেবে পরিচিত করায়, তবে একই সঙ্গে তিনি কবির হৃদয়ধারী খেলোয়াড় হিসেবেও স্মরণীয়।
বিল নিকলসন টটনহ্যামকে ১২৫,০০০ পাউন্ডে চিভার্সের সঙ্গে চুক্তি করান, যা ক্লাবের ঐতিহাসিক সর্বোচ্চ ট্রান্সফার ছিল। সাউথাম্পটনে একশের বেশি গোলের রেকর্ড নিয়ে তিনি লন্ডনের উত্তর অংশে পা রাখেন, যেখানে ভক্তরা তার আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বড় প্রত্যাশা নিয়ে অপেক্ষা করছিল।
সেই সময়ে ইংরেজি ফুটবল ধীরে ধীরে ঐতিহ্যবাহী ‘বাটারিং‑রাম’ সেন্টার‑ফরোয়ার্ডের বদলে আরও বহুমুখী শৈলীর দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। চিভার্সের উচ্চতা ছয় ফুট এক ইঞ্চি, দৃঢ় শট ও চমৎকার বলের স্পর্শ তাকে ‘রোলস‑রয়েস’ মানের খেলোয়াড়ের ছাপ দেয়। ভক্তরা ববি স্মিথের মতো শক্তিশালী ফরোয়ার্ডের প্রত্যাশা করলেও, চিভার্সের বুদ্ধিমত্তা ও ট্যাকটিক্যাল সচেতনতা নতুন দিগন্ত খুলে দেয়।
বড় ফি ও প্রত্যাশার চাপের মধ্যে চিভার্সের প্রথম মৌসুমে কিছুটা অস্থিরতা দেখা যায়। তবে সেভাবেই নয়; স্থানান্তরের সাত মাস পর তিনি একটি ভয়াবহ হাঁটু আঘাতের শিকার হন, যা প্রায় এক বছর তাকে মাঠ থেকে দূরে রাখে। পুনরুদ্ধারকালে তার শারীরিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাস পুনর্নির্মাণে সময় লেগে যায়।
আঘাত থেকে ফিরে এসে চিভার্স অ্যালান গিলজিয়ানের সঙ্গে সমন্বয় গড়



