18 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeস্বাস্থ্যসরকার জাতীয় অপরিহার্য ওষুধ তালিকা আপডেট করে ২৯৫টি ঔষধ অন্তর্ভুক্ত করেছে

সরকার জাতীয় অপরিহার্য ওষুধ তালিকা আপডেট করে ২৯৫টি ঔষধ অন্তর্ভুক্ত করেছে

সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় অপরিহার্য ওষুধ তালিকায় নতুন সংশোধনী আনা হয়েছে। এই সংস্করণে মোট ২৯৫টি ঔষধ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং তালিকাটি সরকারী মূল্য নির্ধারণের নির্দেশিকা অনুসারে বিক্রি হবে।

সপ্তাহিক পরামর্শক পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরিষদের প্রধান ছিলেন চিফ অ্যাডভাইজার প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস, যিনি স্বাস্থ্য নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

পরিষদের সদস্য প্রফেসর সায়েদুর রহমান, যিনি চিফ অ্যাডভাইজারের বিশেষ সহকারী, তিনি বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমকে তালিকার আপডেট এবং মূল্য নির্দেশিকা সম্পর্কে জানিয়েছেন।

নতুন নির্দেশিকায় সব ওষুধের দাম সরকার নির্ধারণ করবে বলে স্পষ্ট করা হয়েছে। এই মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় বাজারের চাহিদা, উৎপাদন খরচ এবং আন্তর্জাতিক মূল্য সূচক বিবেচনা করা হবে।

তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ওষুধগুলোকে সরকারী নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করতে হবে, যা রোগীর আর্থিক বোঝা কমাতে সহায়তা করবে। এই ব্যবস্থা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অপরিহার্য ওষুধ তালিকা দেশের স্বাস্থ্য নীতি ভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। এটি রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা, দীর্ঘস্থায়ী রোগের নিয়ন্ত্রণ এবং জরুরি সেবায় প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করে।

তালিকায় থাকা ঔষধগুলো সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং অনুমোদিত ফার্মেসিগুলোতে সহজলভ্য হবে। এভাবে গ্রামীণ ও নগর উভয় এলাকায় রোগীর কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে ওষুধ পৌঁছানোর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে।

মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুসরণ করে ফার্মেসিগুলোকে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে বিক্রয় করতে হবে। অতিরিক্ত মুনাফা বা অযথা মূল্য বৃদ্ধি রোধে নিয়মিত তদারকি করা হবে।

এই পরিবর্তনগুলো স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার আর্থিক দিককে স্থিতিশীল করতে এবং রোগীর আর্থিক ক্ষতি কমাতে লক্ষ্য রাখে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য এটি বড় সান্ত্বনা হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অপরিহার্য ওষুধের তালিকা নিয়মিত আপডেট করা হবে, যাতে নতুন রোগের প্রয়োজনীয়তা এবং ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা যায়।

সামগ্রিকভাবে, এই আপডেটেড তালিকা এবং মূল্য নির্দেশিকা দেশের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা জালকে শক্তিশালী করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। রোগীর সেবা মান উন্নত হবে এবং ওষুধের ঘাটতি কমবে।

রোগীরা এখন থেকে ফার্মেসিতে গিয়ে তালিকাভুক্ত ওষুধের সরকারী মূল্য জানার সুযোগ পাবেন। কোনো অতিরিক্ত চার্জ বা অপ্রয়োজনীয় প্যাকেজিং এড়িয়ে সঠিক ওষুধ পেতে পারেন।

সামাজিক মিডিয়া এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এই পরিবর্তন সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা হবে। তথ্যের স্বচ্ছতা বাড়িয়ে রোগীর আস্থা জোরদার করা হবে।

অবশেষে, রোগী ও তাদের পরিবারকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যে, চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে তালিকাভুক্ত ওষুধ ব্যবহার করুন এবং কোনো সন্দেহের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য কর্মীর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

এই উদ্যোগের সফলতা নির্ভর করবে সরকার, স্বাস্থ্য কর্মী এবং সাধারণ জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টার উপর। আপনি কি মনে করেন, এই ধরনের নীতি আপনার স্বাস্থ্য সেবার অভিজ্ঞতাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে?

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
AI-powered স্বাস্থ্য content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments