বৃহস্পতিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) টি২০ ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ৪ উইকেটের পার্থক্যে নোয়াখালি এক্সপ্রেসকে পরাজিত করে। উয়েইম, যিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্যাপ্টেন, প্রথমই আক্রমণাত্মক শৈলীতে ৩৫ ball-এ ৬০ রান তৈরি করেন, যার মধ্যে চারটি চতুর্থা এবং চারটি ছয়।
উয়েইমের আক্রমণকে তানজিদ হাসান তামিমের ২১ রান এবং রায়ান বার্লের অচল ১৯ রান সমর্থন করে, ফলে দলটি ১৯ ওভারে ১৫২ রান চাহিদা পূরণ করে। এই জয় রাজশাহীর পয়েন্ট টেবিলে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করে, মোট আট পয়েন্টে ছয় দলের মধ্যে শীর্ষ তিনের মধ্যে প্রবেশ করে।
নোয়াখালি এক্সপ্রেসের জন্য এই পরাজয় ছয় ধারাবাহিক হারের পরিণতি, যা তাদের প্লে-অফের সম্ভাবনা প্রায় শূন্যে নামিয়ে দেয়। তবে ব্যাটিং দিক থেকে দলটি পূর্বের পাঁচটি ম্যাচে ১৫০ রান অতিক্রম না করার পর এবার ১৫১ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়।
সৌম্য সরকার ৪৩ ball-এ ৫৯ রান করে দলের শীর্ষ স্কোরার হন, আর মোহাম্মদ নাবি ২৬ ball-এ ৩৫ রান যোগ করেন। দুজনের সংযোজন নোয়াখালিকে ২০ ওভারে ১৫১/৫ স্কোরে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
বিপিএল-এ প্রথম ম্যাচে শাহাদত হোসেন দিপুকে সুযোগ দেওয়া হয়। দিপু এবং সৌম্য একসাথে ৫৭ রানের ওপেনিং স্ট্যান্ড গড়ে তোলেন, তবে দিপু ২৮ ball-এ ৩০ রান করে রিপন মন্ডল (২-২৭) এর হাতে আউট হন।
রাজশাহী ক্যাপ্টেন নাজমুল হোসেন শান্তোও এক ওভারে মাত্র এক ball-এ মাআজ সাদাকাত (সাত) কে আউট করে নিজের একমাত্র ওভার দিয়ে দলকে অতিরিক্ত সুবিধা দেন।
নোয়াখালি দিক থেকে বলার ক্ষেত্রে মেহেদি হাসান রানা তিনটি wicket নেয়, যা দলের একমাত্র সফল বোলিং পারফরম্যান্স হিসেবে উল্লেখযোগ্য।
চূড়ান্ত স্কোরে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ১৫২/৬ দিয়ে লক্ষ্য অর্জন করে, আর নোয়াখালি এক্সপ্রেসের ১৫১/৫ স্কোরে শেষ হয়। এই ফলাফল দিয়ে নোয়াখালি টেবিলে নীচের স্থানে আটকে থাকে, আর রাজশাহী শীর্ষ তিনের মধ্যে অবস্থান বজায় রাখে।
পরবর্তী ম্যাচে উভয় দলই তাদের পারফরম্যান্স উন্নত করতে চায়, তবে বর্তমান টেবিলের অবস্থান থেকে দেখা যায় নোয়াখালি প্লে-অফের পথে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।



