18 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনশ্বেতা ত্রিপাঠি বোহলায় ‘পালকন পে’ ছবির শুটিং সমাপ্তি

শ্বেতা ত্রিপাঠি বোহলায় ‘পালকন পে’ ছবির শুটিং সমাপ্তি

অভিনেত্রী শ্বেতা ত্রিপাঠি বোহলায় সামাজিক নাট্যচিত্র ‘পালকন পে’র শুটিং শেষ করেছেন। ছবিটি গত বছর ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে দৃশ্য ধারণ করেছে এবং কঠোর সময়সূচি অনুসরণ করে কাজ শেষ হয়েছে।

শুটিংয়ের সময়সূচি শূন্য বিশ্রাম ছাড়া চলার জন্য কাস্ট ও ক্রু উভয়েরই শারীরিক ও সৃজনশীল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। বোহলায় বিভিন্ন পাড়া, ঐতিহাসিক স্থান ও আধুনিক দৃশ্যের মিশ্রণে ছবির দৃশ্য সাজানো হয়েছে, যা গল্পের বাস্তবতা বাড়িয়ে তুলেছে।

‘পালকন পে’তে শ্বেতা ত্রিপাঠি প্রধান চরিত্রে, পাশাপাশি অভিনয় করছেন অভিষেক চৌহান এবং এশান নাকভি। তিনজনের পারস্পরিক সংযোগ ও অভিনয়শৈলী ছবির মূল শক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

চলচ্চিত্রের লেখক ও পরিচালক হলেন নিদ্দিশ পুজ্যাক্কাল, যিনি বিজ্ঞাপন শিল্পে পরিচিত এবং দৃশ্যমান বর্ণনার সঙ্গে মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি যুক্ত করার জন্য প্রশংসিত। তার দৃষ্টিকোণ থেকে ‘পালকন পে’ একটি সামাজিক নাটক হিসেবে গড়ে উঠেছে, যেখানে মানবিক সম্পর্কের জটিলতা ও মানসিক দিকগুলোকে সূক্ষ্মভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

ফিল্মটি লিঙ্গ সমতা, মানসিক স্বাস্থ্য, বিবাহবিচ্ছেদ, যৌনতা ইত্যাদি সংবেদনশীল বিষয়গুলোকে কেন্দ্রীয় থিম হিসেবে গ্রহণ করেছে। এসব বিষয়কে সরলীকরণ না করে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করার প্রচেষ্টা ছবির মূল উদ্দেশ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রযোজনা কাজটি রাহুল গান্ধীর টাম্বু এন্টারটেইনমেন্ট এবং সেলিম জাভেদের জারিয়া এন্টারটেইনমেন্টের সমন্বয়ে সম্পন্ন হয়েছে। দুই সংস্থার সহযোগিতায় ছবির আর্থিক ও সৃজনশীল দিকগুলোকে সমর্থন প্রদান করা হয়েছে।

‘পালকন পে’ ২০২৬ সালে মুক্তি পাবে বলে পরিকল্পনা করা হয়েছে। মুক্তির পূর্বে ছবির মাধ্যমে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সঞ্চার এবং দর্শকদের মধ্যে সমবেদনা জাগ্রত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

শ্বেতা ত্রিপাঠি শুটিং শেষ হওয়ার পর একটি বিবরণে উল্লেখ করেছেন, বোহলায় ধারাবাহিক ও কঠিন সময়সূচি সবার ওপর চাপ সৃষ্টি করলেও তা দলের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সৎমনা গড়ে তুলেছে, যা কাজের গুণগত মানে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘পালকন পে’র গল্পে এমন প্রশ্ন উঠে যা সাধারণত গোপন রাখা হয় অথবা সরলীকৃতভাবে উপস্থাপিত হয়। বিবাহবিচ্ছেদ, লিঙ্গ সমতা, যৌনতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের মতো বিষয়গুলোকে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে চলচ্চিত্রটি দর্শকের সামনে উপস্থাপন করতে চায়।

নিদ্দিশের পরিচালনায় মানব আচরণের প্রতি মনস্তাত্ত্বিক সংবেদনশীলতা প্রতিটি দৃশ্য, নীরবতা ও অনুভূতিতে ফুটে ওঠে, যা শ্বেতার মতে অভিনয়কে আরও গভীর করে তুলেছে। তিনি বলেন, এমন দিকনির্দেশনা অভিনেতাকে অস্বস্তিকর মুহূর্তে বসে সত্যিকারের অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ দেয়।

সহকর্মী অভিনেতা অভিষেক ও এশানের সঙ্গে কাজ করা তার জন্য সমানভাবে সমৃদ্ধিকর ছিল। দুজনের পেশাদারিত্ব ও সহযোগিতার মান ছবির পরিবেশকে সমৃদ্ধ করেছে এবং শ্বেতা ত্রিপাঠি এটিকে তার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

‘পালকন পে’ সামাজিক বাস্তবতা ও মানবিক অনুভূতির মিশ্রণে গড়ে উঠেছে এবং দর্শকদের মধ্যে গভীর আলোচনার সূচনা করার সম্ভাবনা রয়েছে। ছবির শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশা করা হচ্ছে যে এটি সমসাময়িক সমাজের জটিল সমস্যাগুলোকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরবে এবং দর্শকের হৃদয়ে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Bollywood Hungama
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments