20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাআইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশি ম্যাচ অফিসিয়াল দুজন নিযুক্ত

আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশি ম্যাচ অফিসিয়াল দুজন নিযুক্ত

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ২০২৪ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের সূচনা জানুয়ারি ১৫ তারিখে জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় করতে যাচ্ছে। এই টুর্নামেন্টে ১৩টি দেশের দল অংশ নেবে এবং ম্যাচ পরিচালনার জন্য বিশেষজ্ঞ অফিসিয়ালদের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশি দুইজন অফিসিয়াল এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, যা দেশের তরুণ ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক উপস্থিতি বাড়াবে।

ম্যাচ অফিসিয়াল হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন উম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল এবং ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশিদ রাহুল। উভয়েই পূর্বে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এবং এখন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তাদের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছেন।

আইসিসি কর্তৃক প্রকাশিত তালিকায় মোট ১৭ জন উম্পায়ার এবং চারজন ম্যাচ রেফারি অন্তর্ভুক্ত, যাদের দেশভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব ১৩টি সদস্য দেশ থেকে এসেছে। এই কাঠামো টুর্নামেন্টের ন্যায়বিচার ও সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছে।

উম্পায়ারদের মধ্যে হোস্ট দেশ জিম্বাবুয়ে থেকে দুইজন প্রতিনিধিও রয়েছেন, যা হোস্ট দেশের স্থানীয় অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যায়। স্থানীয় উম্পায়ারদের অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

তালিকায় অভিজ্ঞ উম্পায়ার হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডেইটন বাটলার এবং ইংল্যান্ডের গ্রাহাম লয়েডের নাম রয়েছে। উভয়ই আন্তর্জাতিক ম্যাচে বহু বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা রাখেন এবং টুর্নামেন্টের গুণগত মান বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ম্যাচ রেফারির দায়িত্বে রয়েছেন ইংল্যান্ডের ডিন কসকার, ভারতের প্রকাশ ভাট, শ্রীলঙ্কার গ্রেম ল্যাব্রুয় এবং বাংলাদেশের নিয়ামুর রশিদ রাহুল। এই চারজন রেফারি টুর্নামেন্টের শৃঙ্খলা ও নীতি মেনে চলার তত্ত্বাবধান করবেন।

বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দল টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে ১৭ জানুয়ারি ভারতের সঙ্গে মুখোমুখি হবে। এই মুখোমুখি ম্যাচটি দলের প্রস্তুতি ও কৌশল পরীক্ষা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত।

প্রথম ম্যাচের তিন দিন পর, ২০ জানুয়ারি, বাংলাদেশি তরুণরা নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলবে। এই ম্যাচটি দলের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বাড়াবে এবং বিভিন্ন শর্তে পারফরম্যান্স মূল্যায়নের সুযোগ দেবে।

এরপর ২৩ জানুয়ারি, দল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এই সিরিজের শেষ ম্যাচটি দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের সমাপনী হিসেবে কাজ করবে এবং টুর্নামেন্টের অগ্রগতি নির্ধারণে সহায়তা করবে।

বিশ্বকাপের এই পর্যায়ে বাংলাদেশি অফিসিয়ালদের অংশগ্রহণ এবং তরুণ দলের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা উভয়ই দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। টুর্নামেন্ট চলাকালীন আরও নতুন প্রতিভা ও অভিজ্ঞতা অর্জনের সম্ভাবনা থাকবে, যা ভবিষ্যৎ ক্রিকেটের ভিত্তি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments