20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমুম্বাইয়ের বিশেষ PMLA আদালত রাজ কুন্দ্রাকে গেইনবিটকয়েন মামলায় সমন্বয়িত রূপে ডেকেছে

মুম্বাইয়ের বিশেষ PMLA আদালত রাজ কুন্দ্রাকে গেইনবিটকয়েন মামলায় সমন্বয়িত রূপে ডেকেছে

মুম্বাইয়ের বিশেষ প্রতিরোধমূলক অর্থপাচার আইন (PMLA) আদালত রায় শিল্পা শেটির স্বামী রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে গেইনবিটকয়েন ক্রিপ্টোকারেন্সি জালিয়াতি ও অর্থপাচার মামলায় সমন্বয়িত রূপে ডেকেছে। আদালত তাকে ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে, যা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) এর চার্জশিটের পরবর্তী পদক্ষেপ।

ED কর্তৃক দাখিল করা অতিরিক্ত প্রসিকিউশন অভিযোগে বলা হয়েছে, কুন্দ্রা মৃত অমিত ভারদ্বাজের কাছ থেকে ২৮৫টি বিটকয়েন গ্রহণ করেন, যার মোট মূল্য ১৫০ কোটি টাকার বেশি। ভারদ্বাজকে গেইনবিটকয়েন স্কিমের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিটকয়েনগুলো অপরাধমূলক কার্যকলাপের ফলাফল, যা একটি ক্রিপ্টো-মাইনিং প্রকল্পের মাধ্যমে অর্জিত বলে দাবি করা হয়েছিল, তবে প্রকল্পটি কখনো বাস্তবায়িত হয়নি। এ কারণে বিটকয়েনের উত্স স্পষ্ট না থাকায়, কুন্দ্রার মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

ED দাবি করে যে কুন্দ্রা কেবল মধ্যস্থতাকারী নয়, বরং এই ডিজিটাল সম্পদের প্রকৃত সুবিধাভোগী। তদুপরি, শিল্পা শেটির নামে থাকা জুহু এলাকার পাঁচটি ফ্ল্যাটের বিক্রয়কে অপরাধমূলক তহবিলের গোপনীয়তার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়েছে।

সেই ফ্ল্যাটগুলোকে বাজার মূল্যের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম দামে বিক্রি করা হয়েছে, যা সম্পদের উত্স লুকিয়ে রাখার উদ্দেশ্য নির্দেশ করে। আদালত এই বিষয়টি বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে কুন্দ্রা ও আরেকজন অভিযুক্তের (নং ১৭ ও ১৮) বিরুদ্ধে PMLA ধারা ৩ অনুসারে মামলা চালু করার অনুমোদন দিয়েছে।

বিশেষ বিচারক উল্লেখ করেছেন, “প্রাথমিকভাবে একটি দৃঢ় মামলা গঠন করা হয়েছে, যাতে অভিযুক্ত নং ১৭ (কুন্দ্রা) ও নং ১৮ (রাজেশ সাটিয়া) এর বিরুদ্ধে প্রক্রিয়া শুরু করা যায়।” এ সঙ্গে কুন্দ্রার পাশাপাশি দুবাই ভিত্তিক ব্যবসায়ী রাজেশ রাম সাটিয়াকেও সমন্বয়িত রূপে ডাকা হয়েছে।

গেইনবিটকয়েন মামলার মূল সূত্র বহু FIR-এ পাওয়া যায়, যা পুণে ও নন্দেডের পুলিশ রেজিস্টার করেছে। এই FIR-গুলোতে অমিত ভারদ্বাজ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, ষড়যন্ত্র, তথ্যপ্রযুক্তি আইন লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অভিযোগগুলোতে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রকল্পের ভুয়া প্রতিশ্রুতি, বিনিয়োগকারীদের প্রতারণা এবং ডিজিটাল সম্পদের অবৈধ লেনদেনের উল্লেখ রয়েছে। এ সকল অভিযোগের ভিত্তিতে ED সম্পদের জব্দের কাজও শুরু করেছে।

ED ইতিমধ্যে কুন্দ্রা ও ভারদ্বাজের সঙ্গে যুক্ত কিছু সম্পদ, যার মধ্যে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, রিয়েল এস্টেট এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেট অন্তর্ভুক্ত, জব্দের আদেশ জারি করেছে। এই জব্দের মাধ্যমে অপরাধমূলক তহবিলের প্রবাহ বন্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মামলায় উল্লিখিত ২৮৫টি বিটকয়েনের বর্তমান বাজারমূল্য এবং তার আইনগত অবস্থান নির্ধারণের জন্য বিশেষজ্ঞদের মতামত সংগ্রহ করা হবে। আদালত এই বিষয়গুলোকে বিবেচনা করে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবে।

কুন্দ্রা ও সাটিয়ার পক্ষে আইনজীবীরা এখনও কোনো মন্তব্য করেননি, তবে তারা আদালতে যথাযথ আইনি প্রতিরক্ষা প্রদানের প্রস্তুতি জানিয়েছেন।

এই মামলায় আদালত ও ED উভয়েরই লক্ষ্য হল অপরাধমূলক তহবিলের উত্স উন্মোচন এবং সংশ্লিষ্ট সকল সম্পদকে আইনের আওতায় আনা। ভবিষ্যতে যদি অতিরিক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে আরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন্বয়িত রূপে ডাকা হতে পারে।

মামলার পরবর্তী ধাপ হিসেবে, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মুম্বাইয়ের বিশেষ PMLA আদালতে কুন্দ্রা ও সাটিয়ার উপস্থিতি প্রত্যাশিত। সেই দিন পর্যন্ত উভয় পক্ষের আইনি দল যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে আদালতে উপস্থিত হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Bollywood Hungama
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments