20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধঢাকায় গোপন আইফোন উৎপাদন কারখানা উদ্ঘাটন, চীনা নাগরিকসহ তিনজন গ্রেপ্তার

ঢাকায় গোপন আইফোন উৎপাদন কারখানা উদ্ঘাটন, চীনা নাগরিকসহ তিনজন গ্রেপ্তার

ঢাকা শহরের এক অজানা এলাকায় ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে গোপন আইফোন সমাবেশ কারখানা ধরা পড়ে, ফলে তিনজন অপরাধী গ্রেফতার হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন চীনা নাগরিক, অন্য দুইজন স্থানীয় বাসিন্দা।

ঢাকার বিশেষ পুলিশ ইউনিটের সদস্যরা রাতের বেলায় গোপন স্থাপনায় ঢুকে তদন্ত চালায়। অনুসন্ধানে দেখা যায়, অল্প পরিসরের উৎপাদন লাইন, সেলাই মেশিন ও টেস্টিং যন্ত্রপাতি গোপনভাবে স্থাপন করা ছিল।

কারখানার ভিতরে আইফোনের কেস, স্ক্রিন, ব্যাটারি এবং সফটওয়্যার ইনস্টলেশনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ পাওয়া যায়। তদুপরি, কাঁচা উপাদান ও প্যাকেজিং সামগ্রীও সিল করা অবস্থায় সংরক্ষিত ছিল, যা নির্দেশ করে যে উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাপকভাবে চালু ছিল।

গ্রেপ্তারকৃত তিনজনের নাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, তবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে যে একজন চীনা নাগরিক এবং দুইজন বাংলাদেশী। সবেই আইফোনের অবৈধ সমাবেশ ও বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

পুলিশের মুখপাত্র জানিয়েছেন, গোপন কারখানা চালু করা একটি গুরুতর অপরাধ, যা মেধাস্বত্ব লঙ্ঘন, কাস্টমস নিয়ম ভঙ্গ এবং অবৈধ ব্যবসা চালানোর সঙ্গে যুক্ত। তিনি উল্লেখ করেন, এই ধরনের কার্যক্রম দেশের ইলেকট্রনিক শিল্পের সুনাম ক্ষুন্ন করে।

আইফোনের অবৈধ সমাবেশের জন্য সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগ করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে মেধাস্বত্ব অধিকার লঙ্ঘন, কাস্টমস শুল্ক পরিহার এবং অননুমোদিত উৎপাদন। সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে।

অধিক তদন্তে, পুলিশ সমস্ত যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল এবং ডকুমেন্টস জব্দ করেছে। ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত রেকর্ড সংগ্রহ করা হবে, যাতে সম্ভাব্য সহযোদ্ধা ও সরবরাহ চেইন চিহ্নিত করা যায়।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই গোপন কারখানা একটি বৃহত্তর নেটওয়ার্কের অংশ হতে পারে, যা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে নকল আইফোন বিক্রি করে। তাই, তদন্ত দল অন্যান্য সংশ্লিষ্ট স্থানে অনুসন্ধান চালিয়ে যাবে।

গ্রেপ্তারকৃতদের আগামী সপ্তাহে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে হাজির করা হবে। আদালত তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ভিত্তিতে জামিনের শর্ত নির্ধারণ করবে অথবা প্রাথমিক কারাদণ্ড আরোপের সিদ্ধান্ত নেবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় উভয়ই এই ধরণের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। তারা ইলেকট্রনিক পণ্যের গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নিয়মকানুন কঠোর করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে।

গত কয়েক বছরে অনুরূপ গোপন সমাবেশ কারখানা ধরা পড়েছে, যা দেশের মেধাস্বত্ব রক্ষার জন্য সরকারের তীব্র নজরদারির প্রমাণ। এই ধরণের কার্যক্রমের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত নজরদারি ও তদারকি ব্যবস্থা গৃহীত হচ্ছে।

অধিক তথ্য সংগ্রহের সঙ্গে সঙ্গে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনসাধারণকে সতর্ক করেছে যে নকল ইলেকট্রনিক পণ্য ব্যবহার করা নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তদন্ত চলমান, এবং সংশ্লিষ্ট সকল দিক থেকে সহযোগিতা চাওয়া হচ্ছে।

৭৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বাংলানিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments