28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাঅস্ট্রেলিয়া পঞ্চম অ্যাশে পাঁচ উইকেটে জয়, সিরিজ ৪-১ এ শেষ

অস্ট্রেলিয়া পঞ্চম অ্যাশে পাঁচ উইকেটে জয়, সিরিজ ৪-১ এ শেষ

সিডনি গডফ্রি পার্কে বৃহস্পতিবার শেষ টেস্টে অস্ট্রেলিয়া ১৬০ রানের লক্ষ্য সফলভাবে অর্জন করে পাঁচ উইকেটের পার্থক্যে জয়লাভ করে এবং অ্যাশ সিরিজকে ৪-১ স্কোরে শেষ করে। ম্যাচের শেষ দিন চা বিরতির আগে লক্ষ্যটি সম্পন্ন হয়, যা অস্ট্রেলিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

ইংল্যান্ডের দ্রুতগতি সিমার জোশ টোঙের ৩ উইকেট (৪২ রান) সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা লক্ষ্য রানে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। টোঙের বোলিংয়ের পরেও অস্ট্রেলিয়ার শেষ দুই ব্যাটসম্যান, অ্যালেক্স ক্যারি এবং ক্যামেরন গ্রিন, লক্ষ্য রানে পৌঁছানোর শেষ ধাপটি সম্পন্ন করে।

ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন‑আপের শেষ অংশে বেশ কিছু প্রতিরোধমূলক পারফরম্যান্স দেখা যায়, তবে বোল্ডার বেন স্টোকসের আঘাতজনিত অনুপস্থিতি তাদের রক্ষার ক্ষমতাকে সীমিত করে দেয়। স্টোকস না থাকায় ১৬০ রানের লক্ষ্য রক্ষা করা স্বভাবতই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়, বিশেষ করে ভাল পিচে যেখানে দ্রুত গতি ও স্পিন উভয়ই কার্যকর।

অস্ট্রেলিয়ার ওপেনাররা লক্ষ্য রানের প্রথম ১০০ রানের মধ্যে পৌঁছায়। ট্র্যাভিস হেড, যিনি প্রথম ইনিংসে ৫৬৭ রান তৈরি করে দলের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, টোঙের বোলিং থেকে মিডউইকেটের দিকে ২৯ রান গড়ে তোলেন। তার শটটি টোঙের গতি পরিবর্তনকে চ্যালেঞ্জ করে এবং অস্ট্রেলিয়ার রানের গতি বাড়িয়ে দেয়।

হেডের পরের ব্যাটসম্যান জেক ওয়েদারাল্ড টোঙের বোলিং থেকে ৩৪ রান সংগ্রহ করেন এবং লাঞ্চ বিরতির আগে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ৮৯ রানে পৌঁছায়। ওয়েদারাল্ডের স্থিতিশীলতা দলের লক্ষ্য রানে অগ্রগতি নিশ্চিত করে এবং শেষ দিনকে সহজ করে দেয়।

সিডনি গডফ্রি পার্কে ২০১০-১১ সিরিজের শেষ টেস্টে ইংল্যান্ড ১ ইনিংসে ৮৩ রানের পার্থক্যে জয়লাভ করেছিল, যা অস্ট্রেলিয়ায় শেষবারের মতো ইংল্যান্ডকে সিরিজ জিততে সাহায্য করেছিল। আজকের জয়টি ১৫ বছর ও এক দিন পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইংল্যান্ডের শেষ বিজয়কে স্মরণ করিয়ে দেয়।

মুজিব খাওয়াজা এই ম্যাচে ডেবিউ করেন এবং স্টিভ স্মিথের ক্যাচের পর তার সুযোগ আসে। স্মিথকে উইল জ্যাক্সের স্পিনে ১২ রানে আউট করা হয়, যা লাঞ্চের পরই ঘটে। খাওয়াজার ডেবিউ মুহূর্তে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা তাকে স্বাগত জানাতে একটি সুরক্ষা গঠন করে।

কিন্তু টোঙের বোলিং খাওয়াজার জন্য কঠিন হয়ে ওঠে; বামহাতি ব্যাটসম্যান সাতটি বলের মধ্যে ছয়টি গেমে রাখে এবং শেষ পর্যন্ত ১২ রান করে আউট হন। টোঙের বোলিংয়ের তীব্রতা এবং ইংল্যান্ডের ফিল্ডিংয়ের সজাগতা তাকে দ্রুত শেষ করে দেয়।

অস্ট্রেলিয়ার অ্যান্থনি ল্যাবুশ্যাগনের পারফরম্যান্সে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আসে। টোঙের বোলিং থেকে ২০ রানে আউট হওয়ার পর তাকে পুনরায় সুযোগ দেয়া হয়, তবে বেটহেল তার ক্যাচটি ধরতে ব্যর্থ হন। ল্যাবুশ্যাগন পরে নিজে নিজে রান আউট হয়ে ৩৭ রান করেন, যখন দলকে জয় নিশ্চিত করতে ৩৯ রান বাকি থাকে।

শেষ ওভারে অ্যালেক্স ক্যারি কভার্ডে একটি চতুর চার মারেন এবং অস্ট্রেলিয়ার স্কোরকে লক্ষ্য রানে স্থিত করে। ক্যারির শটটি টিমের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে পাঁচ উইকেটের পার্থক্যে জয় এনে দেয়। ক্যামেরন গ্রিনের উপস্থিতি ও সমর্থনও দলের মনোবলকে শক্তিশালী করে।

এই জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়া সিরিজটি ৪-১ স্কোরে শেষ করে এবং অ্যাশের পঞ্চম টেস্টে বিজয়ী হয়। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচের সূচি এখনো প্রকাশিত হয়নি, তবে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ভক্তরা ভবিষ্যৎ টেস্টের জন্য আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments