ইংল্যান্ডের নর্থাম্বারল্যান্ড কাউন্টি কাউন্সিল সম্প্রতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বন্যা ঝুঁকি বিশ্লেষণ ও পরিকল্পনা প্রক্রিয়া পরীক্ষা করছে। এই পরীক্ষার লক্ষ্য হল ভবিষ্যতে এআই‑ভিত্তিক সিস্টেমকে দেশের অন্যান্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাজের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা। প্রকল্পটি বর্তমানে অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে চলছে।
দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে; স্বাস্থ্য, পরিবহন, আর্থিক সেবা ইত্যাদি ক্ষেত্রেই স্বয়ংক্রিয় বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাসের ভূমিকা স্পষ্ট। নর্থাম্বারল্যান্ডের উদ্যোগ এই প্রবণতাকে স্থানীয় পরিকল্পনা ব্যবস্থায় সংযুক্ত করার একটি উদাহরণ।
যুক্তরাজ্যে নতুন কোনো নির্মাণ কাজ শুরু করতে হলে ডেভেলপারদের স্থানীয় কাউন্সিলে পরিকল্পনা আবেদন জমা দিতে হয়। এই আবেদনপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থানের বন্যা ঝুঁকি মূল্যায়ন বা রিপোর্ট সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক, যাতে ভবিষ্যৎ প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
কাউন্সিলের বন্যা ও উপকূলীয় ক্ষয় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থাপক নিক ওয়াটসন জানান, প্রতি বছর হাজার হাজার পরিকল্পনা আবেদন ও নির্মাণ সংক্রান্ত অনুরোধ তাদের দল পর্যালোচনা করে। এই বিশাল ডেটা পরিমাণে মানবিক বিশ্লেষণ সময়সাপেক্ষ এবং ত্রুটির সম্ভাবনা বাড়ায়।
এআই সিস্টেম বড় আকারের নথি থেকে মূল তথ্য দ্রুত সনাক্ত করতে সক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, জমা দেওয়া ঝুঁকি রিপোর্ট, পরিবেশগত মূল্যায়ন এবং পরিকল্পনা নীতিমালা একসাথে বিশ্লেষণ করে সিস্টেমটি সম্ভাব্য অসঙ্গতি বা ঝুঁকি চিহ্নিত করতে পারে, যা মানব বিশ্লেষকের কাজকে সহজ করে।
কাউন্সিল আশা করে, এআই‑এর সাহায্যে আবেদন পর্যালোচনা দ্রুত হবে, ত্রুটি কমবে এবং পরিকল্পনা নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্য নিশ্চিত হবে। সফল পরীক্ষার পর এই প্রযুক্তি পুরো যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকারে প্রয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে, যা বন্যা প্রতিরোধে একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে পারে।
ব্রিটিশ সরকার ব্লাইথে ১০০০ কোটি পাউন্ড মূল্যের এআই ও ক্লাউড কম্পিউটিং ডেটা সেন্টার নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে। এই বৃহৎ অবকাঠামো দেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করবে এবং স্থানীয় পরিকল্পনা ব্যবস্থায় এআই সম



