20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলালুজু টিভির সাক্ষাৎকারে মেসি প্রকাশ করলেন অ্যান্টোনেলা রোকুজ্জোর সঙ্গে প্রেমের গল্প

লুজু টিভির সাক্ষাৎকারে মেসি প্রকাশ করলেন অ্যান্টোনেলা রোকুজ্জোর সঙ্গে প্রেমের গল্প

আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় স্ট্রিমিং চ্যানেল লুজু টিভি গতকাল ইউটিউবে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ফুটবলের কিংবদন্তি লিওনেল মেসি তার ব্যক্তিগত জীবনের কিছু দিক উন্মোচন করেছেন। ২০২৬ সালের প্রথম মাসে নেওয়া এই কথোপকথনে মেসি একাকিত্ব, রোমান্স এবং নিজের অন্তরের কথা শেয়ার করেছেন, যা তার গোপনীয়তা ভাঙার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মেসি বিশ্ব ফুটবলে এক অনন্য নাম; তার মসৃণ দৌড়, সূক্ষ্ম ড্রিবল, তীক্ষ্ণ কৌশল এবং কঠোর পরিশ্রমের ফলে তিনি বহু ট্রফি ও রেকর্ডের ধারক। তার ক্যারিয়ারকে ঘিরে থাকা সব কাহিনী মাঠের পারফরম্যান্সেরই সীমাবদ্ধ, তবে ব্যক্তিগত জীবনের ব্যাপারে তিনি সর্বদা ক্যামেরার সামনে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তাই এই সাক্ষাৎকারটি তার গোপন দিকগুলোকে জনসমক্ষে তুলে ধরার এক বিরল সুযোগ।

সাক্ষাৎকারে মেসি স্বীকার করেন যে তিনি কখনও কখনও একা বোধ করেন, যদিও তার পেশাগত সাফল্য সর্বজনীন। তিনি বলেন, “প্রতিটি সফল পুরুষের পেছনে একজন নারী থাকে,” এবং সেই নারী হলেন তার শৈশবের প্রেমিকা অ্যান্টোনেলা রোকুজ্জো। রোকুজ্জোর সঙ্গে তার সম্পর্কের সূচনা শৈশবেরই, যখন দুজনই মাত্র ছয় বছর বয়সী ছিল। তখন দুজনকে “প্রয়োজনের খাতিরে বন্ধু” বলা হতো, তবে সময়ের সাথে সঙ্গে তা গভীর হয়ে ওঠে।

মেসি বার্সেলোনায় যোগদানের আগে, অর্থাৎ তেরো বছর বয়সে, রোকুজ্জোর সঙ্গে তার যোগাযোগ স্বাভাবিকভাবে চলত। তবে বার্সেলোনায় স্থানান্তরের পর যোগাযোগের ধরণ বদলে যায়; চিঠি পাঠানোর বদলে ইমেইল ব্যবহার করতে হয় এবং দেখা করার সুযোগ খুবই কমে যায়। তবুও দুজনের বন্ধুত্বের সেতু রক্ষা করতে লুকাস স্কাগলিয়া, রোকুজ্জোর কাজিন এবং মেসির ঘনিষ্ঠ বন্ধু, মাঝে মাঝে যোগাযোগের মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায়।

প্রথম চুমু মেসির জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। তিনি ২০ বছর বয়সে রোকুজ্জোর সঙ্গে এই অভিজ্ঞতা ভাগ করেন এবং তা তাকে সম্পূর্ণ অনুভব করায়। “সেই মুহূর্তে আমি বুঝতে পারি, সে আমার জীবনের নারী,” মেসি বলেন, এবং এটাই তার প্রেমের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত হয়।

বয়স ১৬-১৭ বছর বয়সের সময় দুজনের সম্পর্কের ধরণেও পরিবর্তন আসে। ইমেইল এবং বার্তা আদান-প্রদান বাড়ে, এবং দুজনের মধ্যে কথোপকথন আরও ঘন ঘন হয়। ২০ বছর বয়সে দুজনের ডেটিং শুরু হয়, যখন মেসি ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার নাম গড়ে তুলছিল। তিনি স্বীকার করেন, “সেই সময়ে আমি ইতিমধ্যে অনেক পরিচিত হয়ে গিয়েছিলাম,” কিন্তু রোকুজ্জোর সঙ্গে তার বন্ধন কখনোই দুর্বল হয়নি।

আজ মেসি ও রোকুজ্জোর তিনটি সন্তান রয়েছে, এবং রোকুজ্জো তার পরিবারের মূল স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছেন। মেসি তার ব্যক্তিগত জীবনের এই দিকগুলোকে প্রকাশ করে বলেন, “আমি ফুটবলে যে সাফল্য অর্জন করেছি, তার পেছনে রোকুজ্জোর সমর্থন ও ভালোবাসা আছে।” এই কথাগুলো তার গোপনীয়তা ভাঙার পাশাপাশি তার পারিবারিক বন্ধনের গুরুত্বকে তুলে ধরে।

লুজু টিভির এই সাক্ষাৎকারের প্রকাশ মেসির ভক্তদের জন্য এক নতুন দৃষ্টিকোণ প্রদান করে। মাঠের বাইরে তার জীবন, একাকিত্বের অনুভূতি এবং রোমান্টিক দিকগুলো এখন জনসাধারণের নজরে এসেছে, যা তার ব্যক্তিত্বের বহুমুখিতা আরও স্পষ্ট করে। ভবিষ্যতে মেসি কীভাবে তার পেশা ও পারিবারিক জীবনের সমন্বয় বজায় রাখবেন, তা ফুটবলের প্রেমিকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়ে গেছে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments