22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিসংসদ ও গণভোটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোতায়েন পরিকল্পনা প্রকাশ

সংসদ ও গণভোটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোতায়েন পরিকল্পনা প্রকাশ

দ্বিতীয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে; ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চার দিন আগে থেকে দুই দিন পরে পর্যন্ত মাঠে উপস্থিত থাকবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিপত্রে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে “নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬” অ্যাপের মাধ্যমে রিয়েল‑টাইম তথ্য শেয়ার করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এই অ্যাপের মাধ্যমে কেন্দ্রের পরিস্থিতি তৎক্ষণাৎ জানিয়ে মোবাইল ইউনিট ও স্ট্রাইকিং ফোর্সকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সক্ষম করা হবে। ফলে ভোটের চার দিন আগে, অর্থাৎ ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ভোটের পরের দুই দিন, অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পূর্ণাঙ্গ মোতায়েন নিশ্চিত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার জারি করা পরিপত্রে নির্দিষ্ট করেছে কোন বাহিনী কোথায়, কীভাবে কাজ করবে। এতে পুলিশ, বাংলাদেশ গার্ড, আনসার, ভিলেজ ডিফেন্স পার্টি (ভিডিপি) এবং কোস্ট গার্ডের পাশাপাশি স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পৌনে মোট ১৩ কোটি ভোটারকে সেবা দিতে হবে; এ নির্বাচনে ৪২,৭৬১টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে ২,৪৫,০০০টির বেশি ভোটকক্ষ থাকবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের গুরুত্ব অনুযায়ী নিরাপত্তা কর্মী সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে; সাধারণ কেন্দ্রের জন্য ১৬ থেকে ১৮জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য ১৮জন পর্যন্ত সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

মহানগর ও মহানগরের বাইরে, বিশেষ এলাকা সহ সব ধরনের ভোটকেন্দ্রে ১৬জন নিরাপত্তা কর্মী (পুলিশ, অঙ্গীভূত আনসার/সাধারণ আনসার, ভিডিপি ও গ্রাম পুলিশ) থাকবে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য ১৮জন পর্যন্ত বাড়ানো হবে। কেন্দ্রের গুরুত্বের ভিত্তিতে ২ থেকে ৪জন পর্যন্ত সশস্ত্র পুলিশ সদস্যকে অস্ত্রসহ স্থাপন করা হবে।

প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি অস্ত্রসহ আনসার সদস্য নিয়োগ করা হবে। এছাড়া সহকারী সেকশন কমান্ডারকে একজন (অস্ত্রসহ, প্রাপ্যতা সাপেক্ষে) হিসেবে নির্ধারিত করা হয়েছে।

মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ কেন্দ্রের জন্য ১৭জন, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য ১৮জন নিরাপত্তা কর্মী থাকবে। মেট্রোপলিটন এলাকার ভেতরে সাধারণ কেন্দ্রের জন্য ১৬জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য ১৭জন কর্মী দায়িত্বে থাকবেন।

পার্বত্য ও দূরবর্তী অঞ্চলে সাধারণ কেন্দ্রের জন্য ১৭জন, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য ১৮জন নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ করা হবে, যাতে ভূগোলিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ভোটের নিরাপত্তা বজায় থাকে।

প্রথম পর্যায়ে, পরিপত্র জারির পর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারিত সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। দ্বিতীয় পর্যায়ে, অর্থাৎ নির্বাচনের চার দিন আগে, নির্বাচনের দিন এবং ভোটের পরের দুই দিন (৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পূর্ণাঙ্গ মোতায়েন চালু থাকবে।

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে গ্রাম পুলিশ দফাদার বা মহল্লাদারকে সাত দিনের জন্য এক বা দুইজন করে দায়িত্বে রাখা হবে। ভিডিপি সদস্যদের রিপোর্টিং ও প্রশিক্ষণ বিবেচনা করে অঙ্গীভূত করা হবে, যাতে তারা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে পারে।

এই সমন্বিত পরিকল্পনা ভোটের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সম্ভাব্য অশান্তি রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভোটের দিন এবং তার পরের দুই দিন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট মোতায়েনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ভোটারদের নিরাপদে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments