প্রিমিয়ার লীগে হোম গেমে ওয়েস্ট হ্যাম নটিংহাম ফরেস্টের বিরুদ্ধে হারে, ফলে রিলিগেশন ঝুঁকির তালিকায় তাদের অবস্থান আরও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এই পরাজয়টি টিমের সাম্প্রতিক উলফসের বিরুদ্ধে হারের পরের ম্যাচ, যা মঙ্গলবার রাতের লন্ডন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। দলটি এখন ১৭তম স্থান অর্জনের এবং এফএ কাপের কিউপিআরের সঙ্গে সম্ভাব্য পরাজয় এড়ানোর জন্য লড়াই করছে।
দুই বছর আগে ডেভিড ময়েসের অধীনে ক্লাবের ভক্তরা হেড কোচের পরিবর্তন চেয়েছিলেন, এবং সেই সময়ে ক্লাবের সিদ্ধান্তে তারা নতুন কোচ পেয়েছিল। ময়েসের সময়ে টিন পট জয় এবং ডিক্লান রাইসের জন্য ১০৫ মিলিয়ন পাউন্ডের লেনদেনের পর, হ্যামসের ভক্তরা এখন একটি অস্থির অবস্থায় রয়েছে, যেখানে দলটি রিলিগেশন জোনে আটকে আছে।
মঙ্গলবারের ম্যাচে, হ্যামসের ভক্তদের বড় অংশ গরমে ঘরে থেকে গেমটি দেখার সিদ্ধান্ত নেয়, যদিও কিছুই না থাকা সমর্থকরা স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন। নটিংহাম ফরেস্টের আক্রমণাত্মক খেলা এবং শেষ মুহূর্তে দেওয়া পেনাল্টি হ্যামসের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়ায়, ফলে স্কোরের পার্থক্য বাড়ে এবং শেষ পর্যন্ত হ্যামস পরাজিত হয়। যদিও টিমের পারফরম্যান্স পূর্বের উলফসের পরাজয়ের তুলনায় উন্নত ছিল, তবু ফলাফলটি প্রত্যাশিত নয়।
ম্যাচের পর কোচ নুনো এস্পিরিটো সান্তো দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী সুরে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “এখনো শেষ হয়নি, আমরা চালিয়ে যাব” এবং ভক্তদের সমর্থন চেয়ে জানান যে ক্লাবের সবাই একই রকম দুঃখ ও হতাশা অনুভব করছে। তিনি অতিরিক্তভাবে উল্লেখ করেন যে, দলের পারফরম্যান্সে উন্নতি দেখা গেছে, তবে এখনও অনেক কাজ বাকি।
ভক্তদের মধ্যে হতাশা স্পষ্ট, তবে বেশিরভাগই গরমে ঘরে থেকে গেমটি দেখার সিদ্ধান্ত নেয়, যা স্টেডিয়ামের উপস্থিতি কমিয়ে দেয়। সমালোচকরা দলের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের অভাব এবং কোচের কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তবে ক্লাবের অভ্যন্তরীণ দল এই সমালোচনাকে স্বীকার করে না এবং ভবিষ্যতে উন্নতির প্রতিশ্রুতি দেয়।
হ্যামসের বর্তমান লক্ষ্য হল ১৭তম স্থান নিশ্চিত করা, যা রিলিগেশন থেকে রক্ষা পেতে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এফএ কাপের কিউপিআরের সঙ্গে সম্ভাব্য ম্যাচে অতিরিক্ত পরাজয় এড়িয়ে চলা ক্লাবের জন্য আরেকটি অগ্রাধিকার। এই দুইটি লক্ষ্য অর্জনের জন্য দলটি পরবর্তী গেমগুলোতে আরও দৃঢ় পারফরম্যান্স প্রদর্শন করতে চায়।
আগামী সপ্তাহে ওয়েস্ট হ্যাম তাদের পরবর্তী গেমে আবারও রিলিগেশন ঝুঁকি মোকাবেলা করবে, যেখানে প্রতিপক্ষের শক্তি এবং গেমের গুরুত্ব উভয়ই উচ্চ। ক্লাবের ব্যবস্থাপনা এবং কোচিং স্টাফ এই মুহূর্তে দলকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তুলতে এবং মাঠে ফলাফল অর্জনে মনোযোগ দিচ্ছেন। ভক্তদের সমর্থন এবং দলের দৃঢ়তা একসঙ্গে মিলিয়ে রিলিগেশন থেকে বাঁচার সম্ভাবনা বাড়বে।



