20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমুন্সীগঞ্জ আদালতে জব্দ মাদকদ্রব্যের বিশাল পরিমাণ ধ্বংস

মুন্সীগঞ্জ আদালতে জব্দ মাদকদ্রব্যের বিশাল পরিমাণ ধ্বংস

মুন্সীগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল প্রায় ৩:৩০ টায় আদালত কর্তৃক আদেশিত জব্দ মাদকদ্রব্যের বিশাল পরিমাণ নষ্ট করা হয়। আদালতের উত্তর পাশে নির্ধারিত স্থানে কাজটি সম্পন্ন হয়।

এই ধ্বংসকর্মে বিচারক মো. শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি সরাসরি তদারকি করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, জব্দকৃত সামগ্রীগুলোকে যথাযথ পদ্ধতিতে ধ্বংস করা আইনের অধীনে বাধ্যতামূলক।

ধ্বংসকৃত সামগ্রীর তালিকায় ১০,০৯৭টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩৯৬ বোতল ফেন্সিডিল, ১৪৩ ক্যান বিয়ার, ১২ কেজি গাঁজা, ২ বোতল বিদেশি মদ এবং ১০,০৫৯টি খেলনা টাকা অন্তর্ভুক্ত। এসব আইটেম বিভিন্ন মাদক মামলার অংশ হিসেবে জব্দ করা হয়েছিল।

ইয়াবা ট্যাবলেটকে পানিতে ডুবিয়ে নষ্ট করা হয়, গাঁজা ও খেলনা টাকা আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। বিয়ার, ফেন্সিডিল এবং বিদেশি মদকে হ্যামারের সাহায্যে গুঁড়ো করে নষ্ট করা হয়। প্রতিটি ধ্বংস পদ্ধতি আইনি নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন করা হয়।

ধ্বংসকর্মে বিচারক মো. আশিকুর রহমান, কোর্ট পরিদর্শক মো. কামরুল ইসলাম মিঞা এবং মালখানা দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই ইসফাত আরা খানামসহ বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতা দেখা যায়। তারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং ধ্বংসের প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে।

মুন্সীগঞ্জ আদালতে বর্তমানে সাতটি মাদক মামলা চলমান, যাদের মধ্যে এই জব্দকৃত সামগ্রীগুলো অন্তর্ভুক্ত। আদালত এই মামলাগুলোর তদন্ত ও বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংরক্ষণে ধ্বংসকর্মকে অপরিহার্য বলে গণ্য করেছে।

মাদক ধ্বংসের সময় আইনগত প্রোটোকল মেনে চলা হয়, যাতে ভবিষ্যতে কোনো পুনরায় ব্যবহার বা বিক্রয় সম্ভব না হয়। ধ্বংসের পর সংশ্লিষ্ট মামলায় প্রমাণ হিসেবে রেকর্ড সংরক্ষণ করা হবে।

অধিকাংশ জব্দকৃত সামগ্রী স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মাদক নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। আদালত এই ধ্বংসকর্মের মাধ্যমে মাদক সরবরাহ শৃঙ্খলে বাধা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে কাজ করেছে।

ধ্বংসের পর আদালত সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণের যথার্থতা ও আইনি প্রয়োগ নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত তদন্তের সম্ভাবনা রয়েছে।

মুন্সীগঞ্জের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং আদালত মাদকদ্রব্যের অবৈধ প্রবাহ রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের জব্দ ও ধ্বংসের কার্যক্রম বাড়িয়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই ধ্বংসকর্মের মাধ্যমে মাদকদ্রব্যের অবৈধ বাণিজ্যিক চক্রে বড় ধাক্কা দেওয়া হয়েছে এবং সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

মাদক সংক্রান্ত মামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকবে, এবং আদালত যথাযথ শাস্তি প্রদান নিশ্চিত করবে। জনসাধারণকে এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে এবং কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপের তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানাতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments