27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইলেকশন কমিশনার সানাউল্লাহ ২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচনের গতি পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা জানালেন

ইলেকশন কমিশনার সানাউল্লাহ ২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচনের গতি পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা জানালেন

ঢাকা—ইলেকশন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ আজ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ১৩তম পর্যায়ের প্রস্তুতি সম্পর্কে মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, আসন্ন ২০২৬ সালের নির্বাচনের মূল লক্ষ্য দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে পুনরুজ্জীবিত করা। এই বক্তব্যটি NGO Affairs Bureau অফিসে অনুষ্ঠিত “সিটিজেন অবজারভেশন ফর ইনক্লুসিভ অ্যান্ড একাউন্টেবল ইলেকশন ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক সমাবেশে দেওয়া হয়।

সমাবেশটি অ্যালায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (AFED) এর উদ্যোগে এবং ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত হয়। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থা এবং নির্বাচনী সংস্কার বিষয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

কমিশনার সানাউল্লাহ নির্বাচনের বর্তমান অবস্থা ব্যাখ্যা করতে একটি রেলগাড়ির উদাহরণ ব্যবহার করেন। তিনি বলেন, দেশের নির্বাচনী যন্ত্রপাতি যদি ট্র্যাক থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়, তবে তা পুনরায় সঠিক পথে ফিরিয়ে এনে চালু করা প্রয়োজন। এই রূপকটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পুনর্গঠন ও পুনরায় চালু করার ইচ্ছা প্রকাশ করে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনের গতি বাড়াতে মৌলিক মেরামত এবং কিছু উপাদান পরিবর্তন করা যথেষ্ট হবে। এই ধাপটি সম্পন্ন হলে প্রথম পর্যায়ের লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে তিনি আশাবাদী। আইনগত ও নিয়ন্ত্রক সংস্কারের মাধ্যমে ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে বেশ কিছু নতুন বিধান যোগ করা হয়েছে, যদিও কিছু চ্যালেঞ্জ এখনও রয়ে গেছে।

বৈদেশিক পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় বিশেষ কঠিনতা দেখা দিয়েছে। সানাউল্লাহ জানান, পূর্ববর্তী তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনের সময় পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলি তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারেনি, ফলে এইবার নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরও কঠোর হয়েছে।

এই বছরের নিবন্ধন আবেদন প্রক্রিয়ায় মোট ৩০০টির বেশি সংস্থা আবেদন করে, যার মধ্যে ৮১টি সংস্থা অনুমোদিত হয়েছে। অনুমোদিত সংস্থাগুলি নির্বাচনী কমিশনের তৃতীয় চোখ হিসেবে কাজ করবে এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কমিশনার জোর দিয়ে বলেন যে, পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে সহযোগিতা নির্ধারিত নির্দেশিকা কাঠামোর মধ্যে হবে। এ ধরনের সহযোগিতা নির্বাচন প্রক্রিয়ার ন্যায়পরায়ণতা ও অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রস্তাবিত সংস্কার ও পর্যবেক্ষক নিবন্ধনের ফলাফল ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে প্রভাব ফেলবে। বিশেষত, নির্বাচনী গতি পুনরুদ্ধার এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিশ্বাস পুনর্গঠন সম্ভব হবে এবং ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়বে।

সামগ্রিকভাবে, সানাউল্লাহয়ের বক্তব্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পুনর্নির্মাণ, পর্যবেক্ষক সংস্থার ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক সমর্থনের গুরুত্বকে তুলে ধরে। এই উদ্যোগগুলো যদি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments