19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাধাক্কা ক্যাপিটালস নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ১৪.৫ ওভারে পরাজিত, নাসিরের দ্রুততম ফিফটি রেকর্ড

ধাক্কা ক্যাপিটালস নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ১৪.৫ ওভারে পরাজিত, নাসিরের দ্রুততম ফিফটি রেকর্ড

ধাক্কা ক্যাপিটালস ১৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ১৪.৫ ওভারে ৯০* রান দিয়ে জয় নিশ্চিত করেছে। টানা পঞ্চম পরাজয় সত্ত্বেও দলটি শেষ পর্যন্ত চাপকে পরাস্ত করে টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় জয় অর্জন করেছে।

শুরুতে ক্যাপিটালসের ব্যাটিং লাইন‑আপ দ্রুতই সমস্যায় পড়ে; মাত্র তিন ওভারে ১৪ রান তোলার পর দুইটি উইকেট হারায়। এই প্রাথমিক বিপর্যয় সত্ত্বেও দলটি আত্মবিশ্বাস হারায়নি, কারণ মাঝারি‑বয়সী ব্যাটসম্যান নাসির হোসেন দ্রুতই আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করেন।

চতুর্থ ওভারে নাসিরের প্রথম তিন বলেই তিনি মোহাম্মদ নবীর ডেলিভারিতে একটি চার মারেন। পরের ওভারে পাকিস্তানি বাঁহাতি স্পিনার মাজ সাদাকাতের প্রথম বলেও তিনি বাউন্ডারির বাইরে একটি চার পাঠান, যার মধ্যে একটি ছক্কা ছিল। এই দুই ওভারে তিনি একসাথে ৩৫ রান যোগ করেন, যার ফলে ঢাকা ক্যাপিটালসের স্কোর দ্রুত বাড়তে থাকে।

নাসিরের আক্রমণাত্মক খেলা টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গতি অর্জন করে; তিনি মাত্র ২১ বলে ফিফটি সম্পন্ন করেন, যা এই মৌসুমের দ্রুততম ফিফটি হিসেবে রেকর্ড হয়। পূর্বে রংপুর রাইডার্সের কাইল মেয়ার্স ২৩ বলে ফিফটি করেছিলেন, যা এখন নাসিরের নতুন সীমানা।

ফিফটি অর্জনের পর নাসিরের ইনিংস থেমে না; তিনি ৯০ রান অক্ষত রেখে টি‑টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ স্কোর গড়ে তোলেন। এই রানের মধ্যে ১৪টি চার এবং ২টি ছক্কা অন্তর্ভুক্ত, যা দলকে ১৪.৫ ওভারে লক্ষ্য অতিক্রম করতে সাহায্য করে। তার পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ইমাদ ওয়াসিম ১৬ রান যোগ করেন, যা দলকে স্থিতিশীল রাখে।

নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ব্যাটিং শুরুতে উল্টো দিকের চিত্র দেখা যায়; ৯.৩ ওভারে ৪০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে তারা বড় বিপর্যয়ে পড়ে। তবে মোহাম্মদ নবী এবং হায়দার আলীর সংযোজনের ফলে দলটি পুনরুদ্ধার করে। দুজনই ৬১ রান করে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলেন, যার ফলে স্কোর ১৩৩/৬ এ পৌঁছায়।

নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হায়দার আলী ৩৬ বলে ৪৭ রান করে আউট হন, আর নবী ৩৩ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাদের অংশীদারিত্বের ফলে দলটি শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩৩ রান সংগ্রহ করে, যা লক্ষ্য রানের কাছাকাছি ছিল।

বোলিং দিক থেকে নাসির হোসেনও অবদান রাখেন; তিনি ৩ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন, যা দলের সামগ্রিক রেকর্ডে সহায়তা করে। ক্যাপিটালসের অন্যান্য বোলারদের পারফরম্যান্স তুলনামূলকভাবে মাঝারি, তবে নাসিরের ব্যাটিং ও বোলিং দুটোই ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ক্যাপিটালসের এই জয় তাদের পাঁচ ম্যাচের মধ্যে দ্বিতীয় জয়, যা দলকে টেবিলের নিচের দিকে থেকে কিছুটা উপরে নিয়ে আসে। প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে হারানোর পর তারা তিনটি ধারাবাহিক পরাজয় ভোগ করেছিল, তবে এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে।

অন্যদিকে নোয়াখালী এক্সপ্রেস এখনো পাঁচ ম্যাচে কোনো জয় অর্জন করতে পারেনি এবং পয়েন্ট টেবিলে সর্বনিম্ন স্থানে রয়েছে। তাদের পরবর্তী ম্যাচে ধারাবাহিকতা ভাঙার জন্য শক্তিশালী পারফরম্যান্সের প্রয়োজন রয়েছে।

এই ম্যাচের পর টুর্নামেন্টের সূচি অনুযায়ী পরবর্তী রাউন্ডে ধাক্কা ক্যাপিটালসের মুখোমুখি হবে অন্য একটি দল, যা তাদের জয় ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ হবে। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্যও পরবর্তী ম্যাচে পুনরুদ্ধার করা এবং পয়েন্ট সংগ্রহ করা জরুরি।

সারসংক্ষেপে, নাসির হোসেনের দ্রুততম ফিফটি এবং ৯০* রান ক্যাপিটালসকে গুরুত্বপূর্ণ জয় এনে দেয়, আর নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ব্যাটিং ও বোলিং পারফরম্যান্সে কিছু উজ্জ্বল মুহূর্ত সত্ত্বেও দলটি লক্ষ্য অতিক্রম করতে পারেনি। টুর্নামেন্টের পরবর্তী পর্যায়ে উভয় দলই তাদের কৌশল পুনর্বিবেচনা করে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments