20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধখাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গায় সোনালী ব্যাংকের শাখা গেট‑দরজা ভেঙে চুরি ঘটেছে

খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গায় সোনালী ব্যাংকের শাখা গেট‑দরজা ভেঙে চুরি ঘটেছে

খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় অবস্থিত সোনালী ব্যাংকের পিএলএসি শাখার গেট ও প্রধান দরজার তালা ভেঙে চোরের প্রবেশের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। চোরের কাজের সূত্র পাওয়া যায় বুধবার সকাল সাড়ে সাতটায় নিরাপত্তা কর্মী অপূর্ব চাকমা গেটের চাবি পরীক্ষা করার সময়, যখন তিনি ঝাড়ু দিচ্ছিলেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চোরের কাজটি গত মঙ্গলবার রাতের দিকে, অর্থাৎ ৬ জানুয়ারি, ঘটেছিল। গেট ও দরজার তালা ভাঙা সত্ত্বেও, প্রধান ভল্টের তালা না ভাঙায় ব্যাংকের মূল সম্পদে বড় ক্ষতি হয়নি।

শাখার ব্যবস্থাপক মো. হাবিবুজ্জামান জানান, চোর গেট ও মূল দরজা উন্মুক্ত করে শাখার ভিতরে প্রবেশ করে। এরপর ক্যাশ ড্রয়ারের তালা ভেঙে ১,৪৪০ টাকা নগদ এবং ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ চুরি করে।

চোরের কাজের সময়ে শাখার নিরাপত্তা দায়িত্বে ছিলেন অপূর্ব চাকমা (বয়স ৩৪) এবং কেনিয়ন চাকমা (বয়স ৩৫)। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ তাদের স্থানীয় থানার হেফাজতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে।

চুরির খবর পেয়ে ১৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি মাটিরাঙ্গা জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ খান, মাটিরাঙ্গা সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার কাজী ওয়াজেদ আলী, সিআইডি খাগড়াছড়ি পরিদর্শক পান্নালাল বড়ুয়া, মাটিরাঙ্গা থানার ওসি মো. সাহেদ উদ্দিন এবং ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সাইফুর রহমানসহ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

সিআইডি চট্টগ্রাম বিভাগের কর্মকর্তা ও সোনালী ব্যাংকের বিভাগীয় কর্মকর্তাও তদন্তের জন্য 현장 পরিদর্শন করেন। তারা চোরের প্রবেশের পদ্ধতি, লক ভাঙার সরঞ্জাম এবং চুরি হওয়া সামগ্রীর তালিকা যাচাই করছেন।

মাটিরাঙ্গা থানার ওসি মো. সাহেদ উদ্দিন বিকালে স্ট্রিমকে জানিয়ে বলেন, চুরির মামলায় এখনো কোনো সন্দেহভাজনকে অভিযুক্ত করা হয়নি। তদন্ত চলমান এবং ফলাফল জানার পরই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা শহরটি জেলা সদর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যা ঘটনাস্থলের ভৌগোলিক প্রেক্ষাপটকে স্পষ্ট করে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বিবেচনা করা হচ্ছে যে, শাখার গেট ও দরজার লক সিস্টেমের পুনর্নবীকরণ এবং নিরাপত্তা কর্মীদের প্রশিক্ষণ বাড়ানো হবে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চোরের পুনরাবৃত্তি রোধে অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা এবং অ্যালার্ম সিস্টেম স্থাপনের পরিকল্পনা করছে।

এই ঘটনার পর, স্থানীয় পুলিশ ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একসাথে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং চোরের সনাক্তকরণে সকল প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে। ভবিষ্যতে অনুরূপ অপরাধ রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments