22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয় গুলিবিদ্ধ আক্রমণকারী মাসের পরিকল্পনা ও আত্মহত্যা স্বীকারকারী ভিডিও প্রকাশ

ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয় গুলিবিদ্ধ আক্রমণকারী মাসের পরিকল্পনা ও আত্মহত্যা স্বীকারকারী ভিডিও প্রকাশ

প্রোভিডেন্স, রোড আইল্যান্ডে ১৩ ডিসেম্বর ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এক গুলিবিদ্ধ আক্রমণ ঘটেছে, যেখানে দুইজন ছাত্রের প্রাণ শেষ হয়ে যায় এবং নয়জন আহত হয়। শিকারের মধ্যে ১৯ বছর বয়সী এল্লা কুক এবং ১৮ বছর বয়সী মুহাম্মদ আজিজ উমুরজকভ অন্তর্ভুক্ত।

আক্রমণকারী ক্লাউডিও ম্যানুয়েল নেভেস ভ্যালেন্টে, ৪৮ বছর বয়সী পর্তুগিজ অভিবাসী, একই রাতে বস্টনের নিকটবর্তী বাড়িতে এমআইটি প্রফেসর নুনো লৌরেইরোকে গুলি করে হত্যা করেন। দুই দিন পর, নিজের হাতে গুলি করে আত্মহত্যা করেন।

নেভেস ভ্যালেন্টের আত্মহত্যার পর, নিউ হ্যাম্পশায়ার একটি স্টোরেজ ইউনিটে তার দেহ এবং একাধিক ভিডিও রেকর্ডিং পাওয়া যায়। ভিডিওগুলোতে তিনি নিজের মাতৃভাষা পর্তুগিজে কথা বলেন এবং আক্রমণটি ছয় সেমেস্টার, অর্থাৎ কয়েক মাসের পরিকল্পনা ছিল বলে স্বীকার করেন।

ভিডিওতে তিনি নিজেকে রক্ষা করার কোনো যুক্তি না দিয়ে, শিকারের জন্য দায়িত্ব অন্যের ওপর চাপিয়ে দেন। তিনি গুলি চালানোর সময় নিজের চোখে গুলি কেসের আঘাতের কথা উল্লেখ করেন এবং শিকারের জন্য নিরপরাধ, বেসামরিক শিশুদের দোষারোপ করেন।

প্রকাশিত রেকর্ডিংগুলোতে কোনো নির্দিষ্ট প্রেরণা বা লক্ষ্য উল্লেখ করা হয়নি। নেভেস ভ্যালেন্টে ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়কে তার প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করলেও, কেন তিনি ছাত্র ও এমআইটি প্রফেসরকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছেন, তা স্পষ্ট নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস জেলার ইউ.এস. অ্যাটর্নি অফিসের প্রকাশনা অনুযায়ী, নেভেস ভ্যালেন্টে কোনো অনুতাপ প্রকাশ করেননি; বরং তিনি নিজের কাজকে স্বাভাবিক বলে বিবেচনা করে, শিকারের জন্য দোষী হিসেবে অন্যকে চিহ্নিত করেন।

আক্রমণের পর, স্থানীয় পুলিশ তিনটি রাজ্য জুড়ে ব্যাপক অনুসন্ধান চালায়। শেষ পর্যন্ত নিউ হ্যাম্পশায়ার স্টোরেজ ইউনিটে তার দেহ ও ভিডিও পাওয়া যাওয়ায় অনুসন্ধান শেষ হয়।

অনুসন্ধানকারী সংস্থাগুলি এখন ভিডিও ও অন্যান্য প্রমাণের বিশ্লেষণ চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে আক্রমণের পেছনের সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক বা সহায়তা গোষ্ঠী চিহ্নিত করা যায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেভেস ভ্যালেন্টে এবং এমআইটি প্রফেসর লৌরেইরো উভয়ই পর্তুগালের একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হয়েছেন, ফলে তাদের মধ্যে পূর্ব পরিচয় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই সম্পর্কের প্রকৃতি সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয় এবং এমআইটি উভয়ই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করেছে এবং শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য অতিরিক্ত সুরক্ষা নির্দেশিকা জারি করেছে।

ফেডারেল ও রাজ্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ঘটনাটির সম্পূর্ণ তদন্তের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ হুমকি প্রতিরোধে নীতি সংশোধনের সম্ভাবনা উল্লেখ করেছে।

এই ঘটনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে গুলিবিদ্ধ আক্রমণের ঝুঁকি পুনরায় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে নিরাপত্তা প্রোটোকল, মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা এবং ত্বরিত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক পর্যালোচনা চলছে।

প্রাসঙ্গিক কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক আদালত প্রক্রিয়া শুরু করেনি, কারণ সন্দেহভাজন আত্মহত্যা করেছেন। তবে মৃতদেহের ফরেনসিক বিশ্লেষণ এবং ভিডিও রেকর্ডিংয়ের বিশদ পর্যালোচনা ভবিষ্যতে আইনি রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।

ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআইটি উভয়ই শিকারের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে, শোক প্রকাশের পাশাপাশি মানসিক সহায়তা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments