18 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলানটিংহাম ফরেস্টের পেনাল্টি জয়, গিবস-হোয়াইটের শেষ মুহূর্তের গোল

নটিংহাম ফরেস্টের পেনাল্টি জয়, গিবস-হোয়াইটের শেষ মুহূর্তের গোল

লন্ডন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে নটিংহাম ফরেস্ট ১-০ পেনাল্টি দিয়ে পশ্চিম হ্যামকে পরাজিত করেছে। গিবস-হোয়াইটের ৮৯তম মিনিটের পেনাল্টি শটই ম্যাচের শেষ স্কোর নির্ধারণ করে, ফলে ফরেস্টের রক্ষণশীলতা বাড়ে এবং হ্যামের পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা কঠিন হয়ে পড়ে।

প্রথমার্ধে হ্যাম ১-০ দিয়ে এগিয়ে ছিল, তবে সিএরাইসেন্সিও সামারভিলের গোলটি ভিআরআই পর্যালোচনার পরে বাতিল করা হয়। গল পোস্টের সামনে থাকা রেফারির সিদ্ধান্তে গোলটি অস্বীকৃত হয়, ফলে স্কোর অপরিবর্তিত থাকে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর সঙ্গে সঙ্গে নটিংহাম ফরেস্টের নিকোলাস ডোমিঙ্গেজ হেডার দিয়ে সমতা অর্জন করে। ডোমিঙ্গেজের এই শটটি হ্যামের রক্ষণে একটি বড় ফাঁক তৈরি করে, যা ম্যাচের গতি পরিবর্তন করে।

ফরেস্টের সমতা অর্জনের পর, হ্যামের গোলরক্ষক আলফন্সে আরিওলা একটি ক্লান্তিকর ক্লিয়ারিং করার সময় ফরেস্টের খেলোয়াড়ের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। আরিওলার এই ফাউল ভিআরএআই পর্যালোচনার মাধ্যমে নিশ্চিত হয় এবং পেনাল্টি প্রদান করা হয়।

পেনাল্টি শট নেওয়া হয় মর্গান গিবস-হোয়াইটের হাতে, যিনি ৮৯তম মিনিটে সফলভাবে বলটি জালে পাঠিয়ে দলকে জয় নিশ্চিত করেন। গিবস-হোয়াইটের এই গোলই ম্যাচের চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারণ করে।

ম্যাচের শেষের দিকে রেফারির টনি হ্যারিংটনকে ফরেস্টের পেনাল্টি সিদ্ধান্তে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করা হয়, তবে তিনি সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। হ্যামের খেলোয়াড়রা এই সিদ্ধান্তে বিরক্তি প্রকাশ করলেও স্কোর পরিবর্তন হয় না।

হ্যামের কোচ নুনো এস্পিরিটো সান্তো ম্যাচের পর মন্তব্য করেন, “আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, কীভাবে আমরা প্রতিক্রিয়া দিই তা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যথেষ্ট করেছি, এখনো অনেক ফুটবল বাকি আছে।” তিনি দলের মনোভাব বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

দলটি এখন পর্যন্ত দশ ম্যাচে কোনো জয় অর্জন করতে পারেনি এবং হোম গ্রাউন্ডে এই সিজনে আটটি পরাজয় মুখোমুখি হয়েছে। টোমাস সাউকেকের কথাও শোনা যায়, যেখানে তিনি হ্যামের দুর্বল পারফরম্যান্সের দিকে ইঙ্গিত করেন।

ফরেস্টের কোচ শিন ডাইচের দল প্রথমার্ধে ভক্তদের কাছ থেকে তীব্র নিন্দা পায়, তবে দ্বিতীয়ার্ধে তারা দৃঢ়তা দেখিয়ে শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে। দলটি অর্ধেকের পরের সময়ে ভক্তদের বুয়ের মুখোমুখি হলেও আত্মবিশ্বাস বজায় রাখে।

হ্যামের রক্ষণে নুনো দায়িত্বে থাকা সময় থেকে কোনো শূন্য গোল রক্ষা করা হয়নি, যা দলের রক্ষণাত্মক সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। উইলসের বিরুদ্ধে শকের পরও দলটি ধারাবাহিকভাবে আক্রমণাত্মক শক্তি দেখাতে পারেনি।

ম্যাচের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, হ্যামের গোলের সংখ্যা একবারই রেকর্ড হয়েছে, আর ফরেস্টের পেনাল্টি শট সফল হওয়ায় ম্যাচের স্কোর ১-১ থেকে ১-০ হয়ে যায়। উভয় দলে গোলকিপারদের পারফরম্যান্সে ত্রুটি দেখা যায়।

পরবর্তী সপ্তাহে হ্যাম তাদের লিগের পরবর্তী ম্যাচে আবার মাঠে নামবে, তবে বর্তমান অবস্থায় তারা রক্ষণাত্মক দুর্বলতা দূর করতে এবং পয়েন্ট সংগ্রহে তীব্রতা বাড়াতে হবে। ফরেস্টের জন্য এই জয় রক্ষণশীলতা বাড়িয়ে দলকে টেবিলের নিচের দিকে থেকে বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments