19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধপটুয়াখালীর রংগাবালি উপজেলায় পিতার আদেশে কন্যার মৃত্যু, চাচা স্বীকারোক্তি দেন

পটুয়াখালীর রংগাবালি উপজেলায় পিতার আদেশে কন্যার মৃত্যু, চাচা স্বীকারোক্তি দেন

পটুয়াখালীর রংগাবালি উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক মেয়ের মৃত্যু ঘটেছে, যার পিতা তাকে হত্যা করার নির্দেশ দেন এবং চাচা তা বাস্তবায়ন করেন। রক্তাক্ত ঘটনাটি রংগাবালি থানা ও আদালতের তদন্তের অধীনে প্রকাশিত হয়েছে।

রংগাবলি থানার অফিসার‑ইন‑চার্জ মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, রক্তপিপাসু চাচা রুবেল প্যাডা সোমবার সীনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. দোলন হাসানের সামনে দণ্ডসংহিতা ধারা ১৬৪ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি দেন। স্বীকারোক্তির পর আদালত তাকে জেলখানায় পাঠায়।

স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে একই রাতে রুবেলের ছোট ভাই বাবুল প্যাডা, যিনি শিকারের পিতা,কে গ্রেফতার করা হয়। আদালতও বাবুলকে জেলখানায় পাঠিয়ে দায়িত্বশীল হিসেবে নির্ধারণ করে।

শিকারের নাম আয়েশা মনি, তিনি রংগাবলি উপজেলার সদর ইউনিয়নের মঝনেটা গ্রামে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ছিলেন। তার পরিবারে বাবা বাবুল, চাচা রুবেল এবং দুই বোন রয়েছে।

পুলিশের জানামতে, বাবুল প্যাডা এক গোপন সম্পর্কের কারণে পরিবারে তীব্র চাপের মুখে ছিলেন। আয়েশা যখন তার বড় বোন সাথী আক্তার ও বিদেশে বসবাসরত মায়ের কাছে এই সম্পর্কের কথা জানায়, তখন বাবুলকে তার গোপনীয়তা প্রকাশের আশঙ্কা হয়।

এই আশঙ্কা থেকে মুক্তি পেতে বাবুল তার কন্যাকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন এবং ছোট ভাই রুবেলকে কাজটি সম্পাদন করতে নির্দেশ দেন।

২ জানুয়ারি রোবেল বাবুলের সহায়তায় আয়েশার বাড়িতে প্রবেশ করে, তাকে গলায় চেপে মেরে ফেলেন। পরে শিকারের দেহকে একটি থলে ভরে বাড়ির রান্নাঘরের বাইরে ফেলে দেয়া হয় এবং দুজনেই দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

রবিবার পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে এবং রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদে জড়িয়ে রাখে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় রুবেল স্বীকার করেন যে তিনি পিতার আদেশে কাজটি সম্পাদন করেছেন এবং পরে আদালতে আনুষ্ঠানিক স্বীকারোক্তি দেন।

শিকারের বড় বোন সাথি আক্তার রংগাবলি থানায় গৃহহত্যা মামলাটি দায়ের করেন, যেখানে রুবেল প্যাডাকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, রংগাবলি আদালত ও পুলিশ উভয়ই মামলাটির তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। মামলার আইনি দিক থেকে স্বীকারোক্তি ও গ্রেফতার প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের জেলখানায় রাখা হয়েছে।

অধিক তদন্তে প্রমাণ সংগ্রহ, সাক্ষী সমীক্ষা এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণ চালু রয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানিতে রুবেল ও বাবুলের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ আনা হবে এবং শিকারের পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যাতে অনুরূপ অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধ করা যায়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments